০২/০৩/২০২৬, ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ
22.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে সহ শিক্ষা অফিসারজ্যোতিষ্ময় রায়ের অর্থ কেলেঙ্কারির বিভাগীয় তদন্ত শুরু

পঞ্চগড় সদর উপজেলার সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জ্যোতিষ্ময় রায়ের অর্থ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বার বার সংবাদ প্রকাশের পর বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে অধিদপ্তর। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো:নজরুল ইসলাম বলেন, দেখে কাগজপত্র নিয়ে আসছি এর মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত শিক্ষা অফিসার সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত থেকেও সম্মানি ভাতা উত্তোলন করার সংবাদ প্রকাশের পর, তদন্ত করে সরকারি অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করার পর, ফেরত দিয়েছেন মর্মে চলতি বছরের জুন মাসে প্রতিবেদন দেন। তদন্ত কর্মকর্তা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোমিনুল হক।কিন্তু জেলা শিক্ষা অফিসার ও রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

এর আগে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত থেকেও সম্মানি ভাতা নেওয়ার বিষয়ে গত ১৮ মার্চ সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি জেলা শিক্ষা অফিসারের নজরে আনলে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোমিনুল হককে তদন্ত করে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দেন তিনি।কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন তালবাহানা করে প্রায় একমাস পর প্রতিবেদন দেন।

সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছিল, পিইডিপি-৪ আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের লিডারশিপ প্রশিক্ষণে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে গত ৬ জানুয়ারী থেকে ১৯ জানুয়ারী,দ্বিতীয় দফায় পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জ্যোতিষ্ময় রায় দায়িত্ব পালন করেছেন।তবে একই সময়ে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের ভিতরগড় বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৫ জানুয়ারী,১৬ জানুয়ারী জগদল কেন্দ্রে,১৭ জানুয়ারী জাবুরীদুয়ার,১৮ জানুয়ারী সাতমেরা ফুলবাড়ী,১৯ জানুয়ারী সাতমেরা খালপাড়া,পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২০ দিনের ট্রেনিংয়ে উপস্থিত না থেকেও, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রতিদিন সম্মানি ভাতা তুলেছেন এক হাজার ২০০ টাকা।এমনকি খাওয়ার ভাতা নেওয়া হয়েছে ৫৪০ টাকা হারে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের অভিযোগ,প্রশিক্ষণ ছিল পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের।সেখানে সহকারি শিক্ষা অফিসারসহ আরেকজন প্রধান শিক্ষক প্রশিক্ষক হিসেবে থাকার কথা কিন্তু সহকারি শিক্ষা অফিসার উপস্থিত ছিলেন না।তিনি থাকলে হয়তো আমরা আরো কিছু শিখে কাজে লাগানো যেত।এতে পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে শিক্ষকরা।ভেস্তে গেছে প্রশিক্ষনের মুল উদ্দেশ্য।সুষ্ঠু তদন্ত করে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী স্থানীয় শিক্ষক সমাজের।

পড়ুন: ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

দেখুন: আ.লীগ নেতাদের টাকায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে বড় বড় কোম্পানি!

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন