০২/০৩/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
31 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড় পৌরসভায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনে ৪ বছরেই ফাটল

পঞ্চগড় পৌরসভায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত পৌর মার্কেটের বিভিন্ন দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।এতে যেকোন সময় দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।তাদের অভিযোগ নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার ফলে এ অবস্থা ভবনের।শুধু ভবনে ফাটল নয়,পৌরসভার অব্যবস্থাপনায় মার্কেটটির বিদ্যুৎ লাইন,পানির লাইন অকেজো হয়ে পড়েছে।তবে সব ঠিক আছে দাবী কর্তৃপক্ষের।

বিজ্ঞাপন

পৌরসভার তথ্যমতে ২০২১ সালের জুনে পৌর কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কের পাশে পৌর সুপার মার্কেটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তৃতীয় নগর পরিচালন ও উন্নতিকরণ প্রকল্পের আওতায় ৬ তলা বিশিষ্ট এই সুপার মার্কেটের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৫০ কোটি টাকা। তবে শুরুতে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডসহ একতলা পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ছিল মেসার্স শেখ ট্রেডার্স ও কবির ট্রেডার্স (জেভি)।

সম্প্রতি সরজমিনে দেখা গেছে, নবনির্মিত পৌর মার্কেটের ১০ টি দোকানঘরের অধিক মিটারে বিদ্যুৎ থাকলেও সুইচ চাপলে কোন আলো জ্বলেনা।ওয়াশরুমে দীর্ঘদিন ধরে পানি না থাকায় নষ্ট পড়ে আছে।ভবনের অগণিত স্থানে ফাটল ধরেছে।ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডের ফ্লোরে পানি জমাট হয়ে আছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন,ভবনের ফাটল মানুষকে আতঙ্কিত করে রাখে।তাদের অভিযোগ,ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় এ অবস্থা হয়েছে।তৎকালীন আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র জাকিয়া খাতুন ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটর আওয়ামীলীগপন্থি আব্দুল হান্নান শেখ কাজ করার ফলে, নিম্নমানের কাজ করলেও তাঁকে কেউ বাধা দেওয়ার সাহস পায়নি।

পঞ্চগড় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী প্রনব চন্দ্র দে বলেন,বিদ্যুৎ লাইন চালু আছে, বর্তমানে পৌরসভার মিটার থেকে চলতেছে।দোকানঘর বরাদ্দ হয়ে গেলে, সবাই যখন আলাদা মিটার স্থাপন করবে তখন চলবে।পাম্প সর্ট সার্কিটে পুড়ে যাওয়ায়, ঠিক করা হচ্ছে।আশা করছি একদুই দিনের মধ্যে পানির সমস্যা সমাধান হবে।ভবনের নকশা ফেটে যায়নি আর যদি ফেটে থাকে তাহলে ভবন বিশেষঞ্জ বলতে পারবেন।

পড়ুন- পটুয়াখালী-৩ আসনে ট্রাক মার্কার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

দেখুন- যশোরে নির্বাচনী সমাবেশে যা বললেন তারেক রহমান 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন