পটুয়াখালী-১ ( পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আব্দুল ওয়াহাব মিনার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, ভয়ভীতি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মির্জাগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন স্থগিতের লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর এ আবেদন করেন।
লিখিত অভিযোগে ডা. আব্দুল ওহাব মিনার উল্লেখ করেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্নভাবে নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করে তোলে। ভোটের আগের রাত থেকে তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন। এতে অনেক কর্মী এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
আবেদনে আরও বলা হয়, ভোটের দিন সকালে একাধিক কেন্দ্রে তার নিযুক্ত পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। কোথাও কোথাও জোরপূর্বক কেন্দ্র দখল, সাধারণ ভোটারদের লাইনে দাঁড়াতে না দেওয়া এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। কয়েকটি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কিছু সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করায় ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। ফলে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের অনিয়মের কারণে নির্বাচনের ফলাফল প্রকৃত জনমত প্রতিফলিত করবে না।
তাই পটুয়াখালী-১ আসনের নির্বাচন অবিলম্বে স্থগিত করে নিরপেক্ষ পরিবেশে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক হাওলাদার জানান, পটুয়াখালী-১ আসনের প্রার্থী ডা. আব্দুল ওহাব মিনার বিভিন্ন অভিযোগ তুলে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভোট স্থগিত রাখার জন্য বলেছেন। আমরা তার আবেদন গ্রহন করেছি, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
পড়ুন- সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার


