34.4 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ১৫:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালী-১ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীর নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পটুয়াখালী-১ আসনের ঈগল মার্কার প্রার্থী মেজর (অব.) ডা. আব্দুল ওহাব মিনার সর্বশেষ নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে পৌর শহরের কাজী পাড়া সড়কে ঈগল প্রতীকে নির্বাচনী কার্যালয়ে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ব্রিফিং এ লিখিত বক্তব্যে ঈগল মার্কার প্রার্থী মেজর (অব.) ডা. আব্দুল ওহাব মিনার জানান, আপনারা জানেন ২০২৪ এ ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে আমরা আজকের এই জায়গায় এসে উপনীত হয়েছি। গণঅভ্যূত্থান পরবর্তী দেশবাসীর ন্যায় আমার জন্মভূমি পটুয়াখালীও একটি প্রত্যাশার পটুয়াখালী বিনির্মানে করতে আগ্রহী। আমরা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে চাই। কোন প্রকার হানাহানি, রাজনৈতিক বিরোধ, সহিংসতা আমাদের কাম্য নয়। পুরোনো রাজনীতির অচলায়তন ভেঙে বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে দায় ও দরদের রাষ্ট্র গড়ে তোলার কাজ চলমান। ১৪শ এর বেশি ছাত্র-জনতার জীবন উৎসর্গের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় আমাদের মুল লক্ষ্য।
আগামীর বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ১১ দলীয় জোট নিরলস ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে আমরা আপনাদের জানিয়েছি, নির্বাচনী প্রচারণার সময়ে আমার নির্বাচনী বিলবোর্ড ভেঙে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়েছে, এতদাসত্ত্বে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যপারে বর্তমান প্রশাসনের উপর আমরা আস্থা রাখতে চাই, ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকে।

নির্বাচনে পেশি শক্তির প্রদর্শন কালটাকার অবাধ ছড়াছড়ি এটা এখানে চলমান রাখার মাধমে একটি দল পুরোনো ফ্যাসিবাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আমরা সুস্পষ্ট ভাবে আপনাদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাই, পেশি শক্তির রাজনীতি করার মাধ্যমে পটুয়াখালীতে নব্য দাসত্বের রাজনীতি পটুয়াখালীবাসী মেনে নিবে না।

গতরাতে (সোমবার) সদরের মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি এইচএম মুজিবুর রহমান কে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা পরিকল্পিত ভাবে হামলা করা হয়। আমাদের বিশ্বাস ১২ তারিখ জনগন এই হামলার জবাব ব্যালটের মাধমে দিবে। মৌকরনে আমার ঈগলের সমর্থকের দোকান ভেঙে আগুন দেয়া হয়। এটা আমরা প্রশাসনের নজরে আনা সত্ত্বেও হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলার সকল কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এজেন্ট ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট কেন্দ্র যেতে নিষেধ করা হচ্ছে, এবং ভোট কেন্দ্রে গেলে প্রকাশ্যে সীল মারার জন্য বলা হচ্ছে। নারী ভোটারদের চরিত্রহরন এর জন্য হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

তাই নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে আমার একটা অবাদ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন কামনা করছি। তাহলেই জুলাই গণঅভ্যূত্থানের যে সকল শহীদ রক্ত দিয়েছে তাদের ত্যাগ সফল হবে এবং আমার একটি দূর্ণীতি মুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ পাব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিশ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাঈনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিশ পৌর কমিটির সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদএনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী বশির আহম্মেদ, যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ সাইমুম ইসলাম, জেলা সদস্য মোঃ রাসেল গাজী, জেলা সদস্য মোঃ হুমায়ন কবির ফাহাদ সহ ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পড়ুন- জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

দেখুন- ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন