১২/০২/২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবী ধর্ষণের পর হত্যা

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ৬ষ্ট শ্রেণির (১৪) এক স্কুল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তবে ঐ শিক্ষার্থীর খালার দাবি ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় তাকে। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর ধরে মির্জাগঞ্জের ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে ঐ শিক্ষার্থী তার দাদী রোকেয়া বেগমের সাথে বসবাস করেছিলো। গতকাল সন্ধ্যায় তার দাদী ঐ শিক্ষার্থীকে বাসায় একা রেখে পান খাওয়ার জন্য অন্য বাসায় চলে যান। তখন ঐ শিক্ষার্থী পড়ার টেবিলে ছিলো এবং তার কয়েক ঘন্টা পর দাদী বাসায় আসলে ঝুলন্ত অবস্থায় ফ্যানের সাথে তার লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশকে ফোন দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

ঐ শিক্ষার্থীর খালা উপমা পারভিন খাদিজা বলেন, আমার বোনের মেয়ে আত্মহত্যা করেনি বরং তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। বেশ কয়েকমাস যাবত ফুফাতো ভাই সাকিল ও সাজিত বিভিন্ন ভাবে যৌন হয়রানি করে আসছিলো ঐ শিক্ষার্থীকে। একদিন ঐ শিক্ষার্থী গোসল করতে গেলে ওর ফুফাতো ভাইরা গোপনে তা ভিডিও করে রাখে এবং যা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে যৌন হয়রানি করে তারা। এছাড়া বাড়ির সামনে থাকা শামীম নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে দাদী রোকেয়া বেগম বিভিন্ন ভাবে পড়াশোনার বিষয়ে ঐ শিক্ষার্থীকে বুঝাতে চাইলে সেও সেই সুযোগে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করেন বলে জানান তার খালা।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, তার বোনের মেয়ে বিভিন্ন সময় ফোন দিয়ে তার ফুফাতো ভাইদের বিষয়ে বিভিন্ন কথা বলতো এবং তার দাদীর কথাও বলতো আর কান্না করতো।

মামাতো ভাই আশিকুল ইসলাম সিয়াম বলেন, শুক্রবার রাত ২টার সময় ঐ শিক্ষার্থীর দাদী রোকেয়া বেগম ফোন দিয়ে বলে (১৪) গলায় ফাঁস দেয় ঐ শিক্ষার্থী। কিন্তুু ঘটনা ঘটে রাত দশটার দিকে আর আমাদের জানায় রাত ২টায়। আর এটি কোন ভাবেই আত্নহত্যা হতে পারে না। আমরা এই হত্যার বিচার চাই বলে জানান তিনি।

তবে এবিষয়ে তার দাদী রোকেয়া বেগমকে একাধিক বার কল দিলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ শামীম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। তবে এটি হত্যা না আত্নহত্যা সেবিষয়ে এখনি বলা যাচ্ছে না। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে এটি হত্যা না আত্নহত্যা।

পড়ুন: দর্শনার কেরু অ্যান্ড কোম্পানিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের মহোৎসব

দেখুন: দুই পুরুষ চিতার সঙ্গে মিলন আহত হয়ে স্ত্রী চিতার মৃত্যু |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন