গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ নয়জন যুব জামায়াতে ইসলামীর নেতা- কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানা এ মামলা করেন। এঘটনায় তহিদুল ইসলাম কানন নামে এক যুব জামায়াতের কর্মীকে গ্রেফতার করছেন পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় ওসির রুমে প্রবেশ করে।
এসময় অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খানকে অভিযোগটির যথাযথ গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান ও পুলিশ সদস্যদের সাথে জামায়াত নেতাকর্মীরদের মধ্য ব্যাপক বাক -বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তারা অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খানকে শারিরীক ভাবে লাঞ্ছিত করার দাবি করেন । এসময় থানার কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম ও এক নারী কনেষ্টেবল সহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন।
অন্যদিকে যুব জামায়াতের ইসলামের নেতাকর্মীদের দাবি, পলাশবাড়ী থানার ওসি স্বৈরাচারে দোসর। থানায় কোন মানুষ প্রতিকার চাইলে গেলেই তিনি হয়রানি করেন। তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এক সময় আ’লীগের হয়ে কাজ করছেন, বর্তমানে তিনি বিএনপির হয়ে কাজ করছেন। গতকাল একটি সত্য ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি হঠাৎ যুব জামায়াতের নেতা কর্মীর উপর চড়াও হয় এবং দুইজনকে লাঞ্চিত করেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপির কিছু নেতাকর্মীদের ব্যবহার করছেন এবং আমাদের নেতাকর্মীদের নামে একটি হয়রানি মামলা করছেন।
ঘটনার পর গাইবান্ধা -৩ ( পলাশবাড়ী – সাদুল্লাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আবু কাওসার নজরুল ইসলাম লেবু , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল আবুল কাওছার সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান বলেন, পুলিশের উপর হামলা ঘটনায় নয়জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
পড়ুন:মহান স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এনডিএম-এর শ্রদ্ধা নিবেদন
দেখুন:মাদারীপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সং/ঘ/র্ষ
ইমি/


