নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গত ৪০ বছর ধরে অবৈধভাবে চলে আসা সাপ্তাহিক পশুর হাট পরিচালনা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে মহসিন নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
২৪ নভেম্বর সোমবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্বাচল শিমুলিয়া পশুর হাটে এমন ঘটনা ঘটে।
শিমুলিয়া পশুর হাট পরিচালনা পর্ষদের সদস্য থানায় অভিযোগকারী জসিম উদ্দীন (৪৪) জানান, গরুর হাট বসানো থেকে দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় সুলপিনার ফালু মেম্বারের ছেলে মামুন (৪৮), মাঝিপাড়ার হেকিমের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২), ব্রাহ্মনখালীর মোঘল মিয়ার ছেলে মানসুর (৪২),সুলপিনার আমুর ছেলে ফারুক মিয়া (৪৫), আব্দুল করিমের ছেলে হাফেজ মিয়া (৪৮), আজিজ মুন্সির ছেলে রকমান মিয়া (৫৫) সিরাজুল ইসলাম (৫০),মোঃ সাজেদুল (৩০) সজিব মিয়া (৩২ আউয়াল (৫৮)সহ আরও অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন পাশ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। আসামীগন তুচ্ছ বিষয়াদী নিয়ে এলাকার মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন করে। তারা হাট পরিচালনা বিষয়েকে কেন্দ্র করিয়া পূর্ব শত্রুতার জেরে ২৪ নভেম্বর বিকালে ছোট ভাই মহাসিম মিয়া (৩৫) কে পূর্ব পরিকল্পিত বেআইনী জনতাবন্ধে ধারালো ছুরি, রাম-দা, লোহার পাইপ, পিস্তল, লাঠি, সহ দেশীয় অস্ত্রে-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে নিষেধ করলে মামুনের নির্দেশে অন্যান্য হামলাকারীরা মহসিন মিয়া (৩৫) উপর অতর্কিত হামলা করে এলোপাথাড়ী লোহার পাইপ ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। পরে মামুন (৪৮) প্রথমে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। এদের মাঝে আসামী রফিকুল ইসলাম (৪২) তার হাতে থাকা ধারালো চাপাতী দিয়ে আমার ছোট ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার মাঝ খানে কোপ দিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় মানসুর (৪২) তার হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে ছোট ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরপর দুই রাউন্ড গুলি করিলে উক্ত গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হইয়া মাটিতে গিয়ে লাগে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনার খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরবর্তীতে অভিযোগ পেয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
পড়ুন- আদিবাসী ঢুডু সরেন হত্যাকাণ্ড, সকল আসামীকে খালাস দেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ


