আজ ৫ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজার জেলার দুই উপজেলা জুড়ী ও কমলগঞ্জ হানাদার মুক্ত হয়।
জুড়ী উপজেলায় তৎকালীন একটি ব্যাংকের অফিস ছিল ভবানীগঞ্জ বাজারের একটি দোতলা ভবনে। সেখানে পাক বাহিনীর একটি ক্যাম্প ছিল। সেখান থেকে তারা অপারেশন চালাতো।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিকামী মানুষদের ধরে এনে হত্যা করে জুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের পুকুরে এবং কাপনাপাহাড়ের পাশের বীরগোয়ালী মজা হাওরে ফেল দিত। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম চৌধুরী, আব্দুর নূর ও আকমল আলী শহীদ হন। ৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমনে পাকবাহিনী মৌলভীবাজারের দিকে পালিয়ে যায়, জুড়ী হয় হানাদার মুক্ত।
একইদিনে জেলার সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলাও মুক্ত হয়েছিল।
মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর সাড়াঁশি অভিযানের মুখে বিপর্যস্ত হয়ে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী দখল দারিত্ব ছেড়ে পালিয়ে যায়। এদিন কমলগঞ্জের মুক্তিপাগল বাঙ্গালি উড়ায় স্বাধীন বাংলার পতাকা। এই দিনটি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কমলগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা জানিয়েছেন ৫ ডিসেম্বরই কমলগঞ্জ হানাদারমুক্ত হয়। তৎকালীন সময় কমলগঞ্জে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে, সর্ব দলীয় সংগ্রাম পরিষদ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
দিবসটি উপলক্ষে জুড়ী ও কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।
পড়ুন : বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উদযাপনে মৌলভীবাজারে প্রস্তুতি সভা


