পাকিস্তানের সঙ্গে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর প্রভাব সীমান্তের দুই পাশের মানুষের ওপরই পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান বাণিজ্যকে বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা শুরু করেছে।
পাকিস্তান আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। দেশটি আফগানিস্তানে চাল, ওষুধ ও বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহ করে। একই সঙ্গে পাকিস্তান ২০২৪ সালে আফগানিস্তানের মোট রপ্তানির ৪৫ শতাংশ গ্রহণ করেছে।
অক্টোবরের ১২ তারিখ গোলাগুলোর ঘটনায় মৃত্যুর পর সীমান্ত বন্ধ হয়ে গেলে, ডজনখানেক আফগান ট্রাক পণ্য নিয়ে সীমান্তে আটকে পড়ে।
পরে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি হলেও ক্ষতি আর পুষিয়ে ওঠেনি। পাকিস্তান-আফগানিস্তান জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি জানায়, দুই দেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ কোটি ডলারেরও বেশি এবং প্রায় ২৫ হাজার সীমান্তকর্মী প্রভাবিত হয়েছেন।
বারাদর সতর্ক করে বলেন, ব্যবসায়ীরা পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা না কমালে কাবুল সরকার কোনো সহায়তা করবে না। নতুন করে কোনো বিঘ্নন ঘটার আশঙ্কায় তালেবান সরকার এখন বাণিজ্য রুটের বিকল্প হিসেবে ইরান, মধ্য এশিয়া-এমনকি আরো দূরবর্তী অঞ্চলের দিকেও নজর দিচ্ছে।
পড়ুন: ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ২৮ পয়েন্টের পরিকল্পনা ফাঁস
আর/


