দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগ শুরু হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবনবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে করাচির উদ্দেশে সরাসরি ছেড়ে যাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬২ আসনের প্রথম একটি ফ্লাইট। রাত ৮টায় ঢাকা-করাচি প্রথম ফ্লাইটের সব টিকিট বিক্রি হয়েছে।
বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. সাফিকুর রহমান মঙ্গলবার সমকালকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, টানা তিন ঘণ্টা আকাশে ওড়ার পর করাচিতে নামবে বিমানের উদ্বোধনী ফ্লাইট।
বিমানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০১২ সালে ঢাকা-করাচি রুটে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে এই রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান বাংলাদেশকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় এই অনুমোদন ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর এটি পুনরায় বিবেচনা করা হতে পারে। নতুন অনুমোদন অনুযায়ী, বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স অনুমোদিত রুট দিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে।
পাকিস্তানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত রুট কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। করাচি বিমানবন্দরে বিমানকে আলাদা একটি স্লট দেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে বিমান ওড়ার আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফ্লাইটের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে অপারেশনাল সমন্বয় এবং নিরাপত্তা নিয়মাবলি। কর্মকর্তাদের মতে, এই সরাসরি ফ্লাইট উভয় দেশের জনগণের যাতায়াত সুবিধা বাড়াবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন পথ উন্মোচন করবে।
পড়ুন: অতিরিক্ত সচিব হলেন ১১৮ কর্মকর্তা
দেখুন:টেকনাফে রোহিঙ্গাদের স*ন্ত্রাসে চরম আতঙ্কে স্থানীয়রা
ইম/


