০১/০৩/২০২৬, ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ
18.1 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে উপজাতি সন্ত্রাসীদের হাতে ৩৫ জন বাঙালি হত্যার শিকার হওয়া পরিবারকে পুর্নবাসন ব্যবস্থা ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধন শেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সদস্যদের প্রতিবেদনে সংবিধানবহির্ভূতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুতুলিকা দাহ করা হয়।

মঙ্গলবার(৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের শাপলাচত্বরে এই কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এসময় আয়োজিত মানববন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলমগীর কবির, জেলা সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুম রানা, জেলা মুখপাত্র মোঃ মহিউদ্দিন, মহিলা পরিষদের জেলা সভানেত্রী হাসিনা বেগম ও ছাত্র পরিষদ জেলা সভাপতি সোহেল রানা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, পাকুয়াখালী হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। এত বছর পেরিয়ে গেলেও আজও এর সঠিক বিচার হয়নি। অবিলম্বে পাহাড়ে হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িত সন্তু লারমাসহ হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো না হলে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

এসময় বক্তারা অভিযোগ করেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে সংবিধান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তারা অবিলম্বে কমিশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শাস্তির দাবী জানান।

আয়োজকরা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিন্ন ধারার প্রচারণা চালিয়ে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

পরে বিক্ষোভকারীরা শাপলাচত্বরে কমিশনের প্রধান ও সদস্যদের কুশপুতুলিকা দাহ করে প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন।

পড়ুন: চাঁদপুরে দূর্গাপূজায় ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা নেয়া হচ্ছে : পুলিশ সুপার রকিব

দেখুন:নরসিংদীতে উন্নয়নের পেটে যাচ্ছে পুকুর, নষ্ঠ হচ্ছে পরিবেশ |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন