১৫/০১/২০২৬, ১৩:৪২ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১৩:৪২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পানছড়ির রেজামনি পাড়ায় সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তার পাশাপাশি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ খাগড়াছড়ি জেলার আওতাধীন রেজামনি পাড়া আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি স্থানীয় মেম্বার, কারবারি ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন এবং জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

এসময় সেনাবাহিনী প্রধান উক্ত অঞ্চলের স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট সমাধানের লক্ষ্যে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে টেকসই পানির ব্যবস্থা করার প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রদান করেন। এর ফলে রেজামনি পাড়া ও কারিগর পাড়া এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের পানির সমস্যার সমাধান পাবে।

এই পানির সুবিধা পাচ্ছে কারিগর পাড়া ও রেজামনি পাড়া মিলে দুই গ্রামের প্রায় ১২০ পরিবার। তারা আগে বিভিন্ন কুপ থেকে পানি সংগ্রহ করে পানি পান করতে হতো। এই ব্যবস্থাট কারনে এখন এই সকল পরিবারের খাওয়ার পানির সুবিধা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, এই পানির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় আমরা সেনাপ্রধান এর কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা আগে ঝিরি ও কুপ থেকে খাওয়ার পানি সংগ্রহ করে বাসায় নিয়ে আসতাম। এগুলো খাওয়ার কারনে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতো। এখন আমরা বিশুদ্ধ পানি বাড়িতেই পাচ্ছি। এতে আমাদের অনেক উপকার হচ্ছে। আমরা সেনাবাহিনীর কাছে কৃতজ্ঞ।

সেনাপ্রধান চাকরি শুরুতেই এই রেজামনি পাড়া ক্যাম্পে ক্যাম্প কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই সৃতিচারণ করতে সেনাপ্রধান হওয়ার পর পরিদর্শনে এসে এই পরিকল্পনা নেন।

রেজামনি পাড়া এবং কারিগর পাড়া এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

এই উদ্যোগ সেনাবাহিনীর উন্নয়ন কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তার পাশাপাশি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। আমাদের সেনাপ্রধান এই এলাকায় চাকরি করার কারনে এখানকার মানুষের প্রতি একটা মায়া কাজ করে। তাই ওনি সেনাপ্রধান হওয়ার পরে এখানে পরিদর্শনে আসার পর এই এলাকার মানুষের একটা দাবি ছিলো বিশুদ্ধ পানির জন্য। ওনি ওয়াদা করে গেছেন করে দিবে বলে। এই কাজ আজকে আমরা উদ্বোধন করে সাধারণ মানুষের মাঝে বুঝিয়ে দিয়েছি। তারা এখন শান্তিপূর্ণভাবে এই বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারবে।

পড়ুন: হজের নিবন্ধনের শেষ সময় ১২ অক্টোবর

দেখুন: আবারো ইসরায়েলের তাণ্ডবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে উত্তেজনা

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন