বিজ্ঞাপন

গোসলের পানি ব্যবহারে সীমারেখা বাতিল করলেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গৃহস্থালি কাজে পানি ব্যবহারের উপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার একটি নির্বাহী আদেশ সম্প্রতি সই করেছেন। ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে ওভাল অফিসে শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “আমি শাওয়ার নিতে পছন্দ করি। আমি চাই আমার চুল সুন্দরভাবে পরিষ্কার হোক, কিন্তু যখন শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে দেখি, ফোঁটায় ফোঁটায় পানি পড়ছে, তখন মনে হয় ১৫ মিনিট শুধু চুল ভিজতে অপেক্ষা করতে হবে। এটা হাস্যকর।”

বিজ্ঞাপন

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, “হাত ধোয়ার জন্য যতটুকু সময় লাগে, তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি সময় যদি লাগতে থাকে, তাহলে আপনি কিভাবে কার্যকরভাবে কিছু করতে পারবেন? সাশ্রয় হয়, কিন্তু এর ফলে বাসাবাড়ির মৌলিক কাজগুলোও হয়ে উঠছে এক ধরনের দুঃস্বপ্ন।” ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর, তার সরকার গৃহীত ব্যবহার সীমিত করার নিয়ম বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সুপেয় পানি সাশ্রয় করতে গৃহস্থালী কাজে পানি ব্যবহারে সীমা আরোপ করেছিলেন।

তিনি একটি নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বাসাবাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রবাহিত কিভাবে ব্যবহার হবে, তা নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর, তিনি ওবামার অনেক নিয়ম এবং আদেশ বাতিল করে দেন, এর মধ্যে ব্যবহারের এই সীমারেখাও ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন এবং বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর, পুনরায় এই আদেশটি কার্যকর করেন। এবার, ২০২১ সালে, ট্রাম্প ফের সেই আদেশ বাতিল করেছেন।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমলাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ঝামেলায় ফেলা হয়েছিল। এখন থেকে আর কোনো ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা থাকবে না এবং শাওয়ারে প্রবাহের গতিও সীমাবদ্ধ থাকবে না।” এর মাধ্যমে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাসাবাড়িতে আরো বেশি ব্যবহারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন, যদিও তার বিরুদ্ধে পরিবেশ সুরক্ষায় আগের নিয়ম পুনর্বহাল করার দাবী উঠেছে।

পড়ুন: কোটালীপাড়ায় ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

দেখুন: পানি ভবন নিয়ে টনক নড়লো মন্ত্রণালয়ের |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন