১৮/০২/২০২৬, ১৪:৪২ অপরাহ্ণ
32 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ১৪:৪২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চরফ্যাশনের জাহানপুরে পানিবন্দি চল্লিশ পরিবারের আর্তনাদ, দেখার যেন কেউ নেই!

ভোলার চরফ্যাশনের জাহানপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সুর্য খালি এলাকায় উজির আলী হাওলাদার বাড়িসহ তার সংলগ্ন ৬-৭ টি বাড়িতে বর্ষার পানি সরানোর ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় দুই মাস ধরে পানিবন্দি রয়েছে চল্লিশটি পরিবার। ঘর -বাড়িতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে শিশু ও নারীরা।

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়,ঘর থেকে সড়কে আসার পথ, বাড়ির উঠান, রান্না ঘর পানিতে ডুবে রয়েছে।

কোথাও হাটু পানি কোথাও কোমড় পানি জমে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ঘরের চারপাশে জলাবদ্ধতা থাকায় ঘরগুলোর কাঁচা ভিটা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, ফলে যে কোন সময় বসত ঘর ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে ঘরে আবদ্ধ হয়ে পড়া নারী শিশুরা। এতে দুই শতাধিক মানুষের মধ্যে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে।
পানিবন্দি বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাদের পার্শ্ববর্তী কামাল মাঝি বর্ষায় সৃষ্ট পানি প্রবাহের পথ বন্ধ রাখায় এ বছর তারা এমন সংকটে পড়েছেন।

স্থানীয় কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে কামাল মাঝির সাথে সমাধানের চেষ্টা করলেও কারো কথায় সে পানি প্রবাহের পথে প্রতিবন্ধকতা সরাচ্ছে না। পানিবন্দি এক পরিবারের সদস্য শাহনাজ আক্তার বলেন, দীর্ঘসময় ঘরের চারপাশে জলাবদ্ধতা থাকায় ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছি, অনেকদিন হলো চুলায় রান্না করতে পারছি না। ছেলে মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। আমাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। জলাবদ্ধতার এই সংকট স্থায়ীভাবে নিরসনে আমরা প্রশাসনের সহায়তা চাই।
ষাটোর্ধ বয়সের নুরুল ইসলাম মাঝি জানান, কয়েকদিন অসুস্থায় ভুগছেন তিনি, কিন্তু বাড়িতে আসা যাওয়ার রাস্তায় কোমড় পরিমান পানি থাকায় ডাক্তার দেখাতে যেতে পারছেন না।

বিষয়টি নিয়ে কামাল মাঝির কাছে গেলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি, এ সময় তার ভাই পরিচয়ে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়,” সাংবাদিকেরা দেখতে আসছে, দেখবো সাংবাদিকেরা কিভাবে পানি সরানোর ব্যবস্থা করে”।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথি সাংবাদিককে বলেন, বিষয়টি শুনেছি, অত্যন্ত অমানবিক। পানি সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএ/

দেখুন: পানি ভবন নিয়ে টনক নড়লো মন্ত্রণালয়ের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন