পার্থ র্যাকটেঙ্গুলার স্টেডিয়ামের প্রেসবক্স কাচে ঘেরা নয়। অপরপ্রান্ত থেকে দর্শকদের ‘ঋতুপর্ণা, ঋতুপর্ণা’, ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ চিৎকার স্পষ্ট শোনা যায়। নারী এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধে ০-১ গোলে পিছিয়ে।
ম্যাচ শুরুর দশ মিনিটের মধ্যেই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। উজবেক ফরোয়ার্ড খাবিবুল্লাএভা দুর্দান্ত শটে লিড এনে দেন। বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা সঠিক মতো মার্কিং করতে পারেননি। তবে পিছিয়ে পড়লেও বাটলারের শিষ্যরা দমে যাননি।
উজবেকিস্তান ফিফা র্যাংকিংয়ে ৪৯ নম্বরে অবস্থান করছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম স্থানে। ব্যবধান বেশি থাকলেও প্রথমার্ধে বাংলাদেশ সমানে সমান লড়েছে। বল পজেশন ও আক্রমণ করেছে অনেক। বিশেষ করে কাউন্টার অ্যাটাকে ৩০ মিনিটে ঋতুপর্ণা দ্রুতগতিতে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বা পায়ে জোরালো শট করেন। উজবেক গোলরক্ষক মাফতুনা ফ্লাইটে খানিকটা পরাস্ত হয়ে কয়েক পা পিছিয়ে লাফিয়ে এক হাত দিয়ে কোনো মতো গোল বাঁচান।
প্রথমার্ধের শেষ পাঁচ মিনিট বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের ওপর অনেক চাপ প্রয়োগ করে। তহুরা খাতুন বক্সের মধ্যে ভালো জায়গায় বল পেয়ে শট নেন। সেই শট ফিরে আসলে কোহাতি কিসকু বল পান। গোলরক্ষক বক্সের মাঝামাঝি এবং পোস্ট অরক্ষিত। গোলের সুযোগ থাকলেও কোহাতি শট পোস্টে রাখতে পারেননি।
এমন আক্রমণের পর বাংলাদেশ আরেকটি গোলের সুযোগ পায়। সংঘবদ্ধ আক্রমণে বক্সের সামনে বল পান মারিয়া মান্দা। তার নেয়া বুদ্ধিদীপ্ত শট অল্পের জন্য উজবেকিস্তানের পোস্টের উপর দিয়ে যায়। বাংলাদেশ গোল বঞ্চিত হওয়ায় প্রথমার্ধে ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হয়।
উজবেকিস্তানও বেশ কয়েকটি আক্রমণ ও গোলের সুযোগ পেয়েছিল। বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারের হাই লাইন ডিফেন্স বেশ কয়েকবারই ভেদ করেছিলেন উজবেক ফুটবলাররা। দুই-তিন বার গোলরক্ষক মিলিকে এশাও পেয়েছিলেন। ফিনিশিং দক্ষতার অভাবে উজবেকিস্তান ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। গোলরক্ষক মিলি দু’টি ভালো সেভ করেছেন প্রথমার্ধে।
পড়ুন- নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে


