১৩/০১/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
19 C
Dhaka
১৩/০১/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ।

বিজ্ঞাপন

৫ জানুয়ারি সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন ।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণ একটা উদ্বেগজনক আচরণ। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত । প্রত্যেক ব্যক্তি, ধর্ম ও গোত্রের ক্ষেত্রে আইন সমান হবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, নির্বাচন কমিশন ব্যক্তিবিশেষে আইনের বিভিন্ন প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন। একই কারণে একই রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বাতিল করা হলেও আবার একই কারণে অন্য একটা রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছে। এটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা নিশ্চিত করবে, তা আমাদের নিরাশ করে। নির্বাচন কমিশনকে আমরা দেখতে পাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে প্রশাসন থাকার কথা ছিল, পুলিশ থাকার কথা ছিল। প্রশাসন ও পুলিশ গুলশানের আন্ডারে চলে গেছে, যা খুবই দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, আমার এলাকার যেসব বিএনপি নেতা গত দেড় দশকে রাস্তায় আন্দোলন করেছেন, শ্রম দিয়েছেন, রাস্তায় হরতাল সফল করার জন্য নেমে এসেছেন, তাদের কীভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে? তাদের বিএনপি থেকে মাইনাস করা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, গত ৫ আগস্টের পরে বিএনপিকে যেসব মিডিয়া আগুনসন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সময় এবং ৭১ টেলিভিশনের মালিকদের যখন আমরা দেখি তারেক জিয়াকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিচ্ছেন—আমি কীভাবে নিই—এটা বিষয় না, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী গত দেড় দশক ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তারা কীভাবে নেন, সেটি প্রশ্ন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত দেড় দশকে যেসব মিডিয়া তারেক জিয়াকে মাফিয়া বানাতে চক্রান্ত করেছে। তারাই এখন বিএনপি থেকে বড় বিএনপি হওয়ার চেষ্টা করছে—এটি আশঙ্কাজনক। এভাবে একটি ফ্যাসিস্ট উৎপাদন হয়। ওই সব ব্যবসায়ী, মিডিয়া ও প্রশাসনের লোকেরাই এখন বিএনপির সবচেয়ে কাছের। আমরা চাইব না তারেক জিয়া প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও মিডিয়ার এই নেক্সাসের মধ্যে পড়ে যাক ।

পড়ুন: `জামায়াত এখন পরিশুদ্ধ দল, সুশাসনের জন্যই আমরা এক হয়েছি’

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন