26.5 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পূর্বাচলের ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড মাঠ পরিদর্শন করলেন বিসিবি-র কর্মকর্তারা

পূর্বাচলে বিসিবির ন্যাশনাল স্পোর্টস কমপ্লেক্স মাঠ পরিদর্শনে আসেন এর পরিচালক ও কর্মকর্তারা। ঢাকাসহ আশপাশের মোট ৩ টি স্টেডিয়াম প্রস্তুত করছেন।

বিজ্ঞাপন

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর ও বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটি চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট, বিসিবির অপরেশন ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিজসহ কর্মকর্তারা।

৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বাচলের ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে খালেদ মাসুদ পাইলট এক প্রেসব্রিফিং এ বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর চুরি হয়েছে। এটা আমাদের দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে৷ হতে পারে উইকেট তৈরির মাটি। পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পিচ তৈরির জন্য কেনা মাটি লোপাট হয়েছে বলে শুনেছি। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি হবে। বিষয়টিতে কারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় নেয়া হবে৷


এরআগে পূর্বাচলের এ স্টেডিয়াম থেকে ২০ হাজার সেপটিক কেনা মাটির মধ্যে ১৩ হাজার সেপটিক চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে৷ বলা হচ্ছে পূর্বাচল স্টেডিয়ামে হয়েছে রীতিমতো পুকুরচুরি। চুরি হয়েছে পিচ তৈরীর মাটি!


সূত্রমতে খালেদ মাসুদ পাইলট গ্রাউন্ডস কমিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে কাজ শুরুর উদ্যোগ নেয় এই ভেন্যুতে। কিন্তু মাটির হিসেব করতে গিয়ে দেখা যায় ২০ হাজার সেপটিক মাটির মধ্যে আছে কেবল ৭ হাজার সেপটিক মাটি। চুরি হয়ে গেছে ১৩ হাজার সেপটিক মাটি।

পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, আমরা ক্রিকেটকে সকল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছি। পূর্বাচল, ফতুল্লা,মিরপুর ছাড়াও সারাদেশের ক্রিকেট গ্রাউন্ডগুলো সক্রিয় করে প্রাইমারী, হাইস্কুল ও কলেজ লেবেলে আলাদা করে ইভেন্ট করে আমরা ভালো ক্রিকেটার তৈরী করতে পারবো। যেমন রংপুরের শরীফুলসহ আরো অনেককেই পেয়েছে বিসিবি। এ সময় আসিফ আকবর আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব নিয়েছি মাত্র দুমাস। ফলে এখনি সফলতা বা ব্যর্থতা দেখছিনা। যেদিন দায়িত্ব ছেড়ে যাবো সেদিন যেন ভালো উত্তর প্রমাণসহ দিতে পারি,সন্তুষ্ট করতে পারি সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।

পড়ুন- ঝিনাইদহে বেগম রোকেয়া দিবসে ৬ অদম্য নারীকে সম্মাননা

দেখুন- মিরপুর ১ এ চলছে উচ্ছেদ অভিযান |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন