নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে আসছে একটি সিন্ডিকেট। এমন সংবাদ পেয়ে আজ সকালে জবাই করা ৯টি এবং জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার সকালে উপজেলার পূর্বাচল নতুন শহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারারবাড়ী এলাকার একটি প্লট থেকে ঘোড়াগুলো উদ্ধার করা হয়।
পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের ইনচার্জ হারুন উর রশিদ জানান, পূর্বাচল ১০ নং সেক্টর হারার বাড়ি এলাকার একটি প্লটে ২০ টি ঘোড়া জবাই করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে তারা ৯টি ঘোড়া জবাই করে ফেলেন। শুক্রবার ভোরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশের হট লাইন ৯৯৯তে ফোন দেন। পরে পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অভিযান পরিচালন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের আসার টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়াগুলো রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ১১ টি জীবিত ঘোড়া এবং ৯টি জবাই করা ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, পূর্বাচল উপশহরের নির্জন স্থানে রাতের আঁধারে অসাধু ব্যবসায়ীরা এনে জবাই করে গরুর মাংস বলে কম দামে উপজেলার বিভিন্ন মাংসের দোকানে বিক্রি করেন। আর ওই মাংস গরুর মাংস হিসেবে মানুষ ক্রয় করে নিয়ে খাচ্ছেন। এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবী, গত ৬ বছর ধরে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘোড়াগুলো রাতের আঁধারে আশপাশের খাবার হোটেলে সরবরাহ করে থাকে। বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা হওয়ায় মাত্র ২ শ থেকে ৩ শ টাকা কেজিতে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে থাকে। আর তা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় মাংস বিক্রেতা, কসাইদের একটি অংশ সরাসরি ঘোড়ার মাংস বিক্রিতে জড়িত।


