মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গাজিপুরের শিববাড়ী মোড়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রকৌশল খাতকে সমৃদ্ধ করতে এ খাতের সকল প্রকার বৈষম্য দূর করতে প্রস্তাবিত ৪ দফা বাস্তবায়ন, সম্প্রতি রাজধানীতে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার, শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং রংপুরে নেসকোতে ডুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রকৌশলী গোলাম হোসেনেকে মব সৃষ্টি করে তাকে বদলি করার প্রতিবাদে ডুয়েটের শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচির পালন করেছে।
সংকট নিরসনে শিক্ষার্থীদের দেয়া ৪ দফা দাবিগুলো হচ্ছে:
১। IEB-এর সদস্যপদ ব্যতীত কোন ব্যক্তি তার নামের পূর্বে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না।
২। মেধা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যৌক্তিক উপায়ে পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে সরকারকে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠনপুর্বক ন্যায়সংগত ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।
৩। দেশের প্রকৌশল খাতে ভারসাম্য রক্ষার্থে বিএসসি প্রকৌশলীদের জন্য সরকারি খাতে এন্ট্রি-পোস্ট বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতে সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও চাকরি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযোজনীয় আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। একই সাথে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল রাখতে হবে।
৪। পাঁচটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (DUET, BUET, CUET, KUET, RUET) সমন্বয়ে প্রকৌশলী পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে একটি স্বতন্ত্র নিয়োগ প্রতিষ্ঠান গঠন করতে হবে। উক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত নিয়োগ পরীক্ষায় টেকনিক্যাল বিষয়বস্তুকে মূল মূল্যায়ন উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে হবে এবং একই সঙ্গে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় নন-টেকনিক্যাল দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য উপযুক্ত অংশ সংযোজন করতে হবে, যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সর্বজনগ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক হয়।
পরে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের দুজন প্রতিনিধি শিববাড়ী মোড়ে আসলে ডুয়েটের শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিগুলোর যৌক্তিকতা তুলে ধরে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
পড়ুন:গাজীপুর সড়ক জনপথের উচ্ছেদ অভিযান, সার্ভেয়ারের ওপর বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা


