বিজ্ঞাপন

প্রতারক অনন্ত জলিল

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন তারই ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ রিয়েলিটি শোর বিজয়ী সাব্বির আহমেদ আরবিন। কয়েক বছর আগে শিল্পী সংকট সমাধানের জন্য অনন্ত জলিল ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ নামে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেন। ওই প্রতিযোগিতায় ‘হিরো’ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় বেকার ছিলেন আরবিন। পরে ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেলেও, সেই অভিজ্ঞতা তার জন্য হতাশার গল্প হয়ে দাঁড়ায়।

বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালে ‘দ্য স্পাই: অগ্রযাত্রার মহানায়ক সিনেমার জন্য ট্যালেন্ট হান্ট আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে ৩ লাখেরও বেশি প্রতিযোগী অংশ নেন। এই প্রতিযোগিতা থেকে ‘হিরো’ ক্যাটাগরিতে চূড়ান্ত নির্বাচিত হন সাব্বির আহমেদ আরবিন। তবে তার অভিযোগ, নির্বাচিত হওয়ার পরেও সেই সিনেমার নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।

আরবিন বলেন, “চুক্তি অনুযায়ী, আমাকে একটি সিনেমায় কাজ করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সেটি নির্মাণ হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পাই। আমি পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলাম, তবে শুটিংয়ে অংশ নিতেও আমাকে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি জানান, ‘চার দিন অপেক্ষা করার পর একটি দৃশ্যের শুটিং হয়। তবে পরবর্তীতে আর কিছু দৃশ্য শুটিং হয়। মোট আট দিন শুটিং করার পর সিনেমার মুক্তি আসে। আমি যখন সিনেমাটি মুক্তির পর হলে গিয়ে দেখি, আমার উপস্থিতি কোথাও খুঁজে পাইনি। পুরো সিনেমায় নিজেকে দেখতে না পেয়ে আমি খুবই হতাশ হয়েছিলাম।’
এমন অভিজ্ঞতা নিয়ে আরবিন বলেন, ‘এটা ছিল একটি বড় প্রতারণা। আমার সমস্ত কষ্ট বৃথা গেছে। শুটিংয়ের পর আমি অনুভব করলাম, আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। এটি আমাকে গভীরভাবে আঘাত দিয়েছে।’

এই অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য অনন্ত জলিলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমাটি বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয় এবং ২০২২ সালে মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম।

পড়ুন- ‘মৃত্যুর আগেই মেরে ফেলবেন না’

দেখুন- গোড়ায় গলদ নিয়ে আসছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক? |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন