১০/০২/২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
20 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

প্রতীক জটিলতায় জামালপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুর-২ (ইসলামপুর) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খানের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শেষ হলেও এখনো তিনি প্রতীকবিহীন অবস্থায় রয়েছেন, যা তার নির্বাচনী প্রস্তুতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
গত ২১ জানুয়ারি জামালপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মোট ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে জামালপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান কোনো প্রতীক পাননি।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকাশিত গেজেটে অর্ণব ওয়ারেস খানের জন্য ‘বাঘ’ প্রতীক উল্লেখ থাকলেও আইনি জটিলতার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ওই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে অর্ণব ওয়ারেস খান বলেন, “আমি বৈধভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। অথচ প্রতীক ছাড়া প্রচারণা চালানো কার্যত অসম্ভব। আমার পছন্দের প্রতীক বাঘ—এ প্রতীক ছাড়া আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না।”

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী জানান, ‘বাঘ’ প্রতীক নিয়ে পিডিবি নামক একটি রাজনৈতিক দল ২০২০ সালে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করে। সেই রিট এখনো নিষ্পত্তি না হওয়ায় আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত প্রতীকটি কোনো প্রার্থীকে বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না। তবে বিকল্প কোনো প্রতীক চাইলে তা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বাঘ প্রতীক ব্যতীত অন্য কোনো প্রতীকে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন- ড্রাইভার ও হেলপারের হাত-পা বেঁধে ধানবোঝাই ট্রাক ডাকাতি, ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন