বিজ্ঞাপন

প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠান দিয়ে কে-পপ জগতে আধিপত্য প্রদর্শন করল বিটিএস

দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ সুপারস্টার গ্রুপ বিটিএস শনিবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় গোয়াংহওয়ামুন স্কোয়ারে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন কনসার্টের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। যা রাজধানী সিউলের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থানটিকে একটি উন্মুক্ত কে-পপ মঞ্চে রূপান্তরিত করেছিল।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ তিন বছর পাঁচ মাস পর গ্রুপের সব সদস্যদের নিয়ে একত্রে এই পারফরম্যান্সটি প্রদর্শন করল বিটিএস। যা তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’ প্রকাশের একদিন পর অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটির প্রধান আকর্ষণ ছিল বিটিএসের নতুন অ্যালবামের গানগুলো। যা ভক্তদের মাঝে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার ঘটায়। সিউলের অন্যতম এই ঐতিহাসিক স্থানে প্রত্যাবর্তন করাটা বিটিএসের নতুন অ্যালবামের মূল বিষয়বস্তু—পরিচয় এবং উৎসকে বিশ্বমঞ্চে আরও উদ্ভাসিত করেছে।

ঠিক রাত ৮টায় কনসার্ট শুরুর ঘোষণা দিয়ে স্পিকার থেকে যখন জোরালো সংগীত বেজে উঠল, তখন মধ্য সিউল হাজার হাজার ভক্তের গর্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল। ভক্তরা, যাদের বেশিরভাগই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অনুষ্ঠানস্থলের কাছে অপেক্ষা করছিলেন, মঞ্চে বিটিএস সদস্যদের প্রত্যাবর্তনে সমর্থন জানাতে তাদের মধ্যে ক্লান্তির কোনো চিহ্নই দেখা যায়নি। জাঁকজমকপূর্ণ মঞ্চসজ্জা এবং চোখ ধাঁধানো মেগাক্রু নৃত্য পরিবেশনা দর্শকদের মাঝে বাড়তি উল্লাস এনে দেয়।

গোয়াংহওয়ামুন প্রত্যাবর্তন শো আয়োজনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অনুষ্ঠানের শুরুতেই দর্শকদের উদ্দেশে জিমিন বলেন, সাতজন হিসেবে পুনরায় একত্রিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গোয়াংহওয়ামুন স্কোয়ার পূর্ণ করার জন্য আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।

সুগা বলেন, আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে আমরা অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান গোয়াংহওয়ামুন স্কোয়ারে পারফর্ম করতে পারছি। আমরা আমাদের নতুন অ্যালবামের নাম ‘আরিরাং’ রেখেছি, কারণ আমরা আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরতে চেয়েছিলাম এবং গোয়াংহওয়ামুনে দাঁড়িয়ে থাকাটাও সেই একই অর্থ বহন করে।

এরপর দলটি তাদের আগের জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে। ভক্তরা প্রতিটি গানের কথার সঙ্গে সুর মিলিয়ে গেয়েছিল, যা কে-পপের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিটিএসের অবস্থানকে আরও জোরালো করে।

এ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এটাই প্রকাশ পেল, এত দীর্ঘ সময় মঞ্চ থেকে দূরে থাকার পরও দলটির তারকাখ্যাতি ম্লান হয়নি—বরং তা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পড়ুন- তেলের যথেষ্ট মজুত আছে, পাম্প বন্ধ হওয়ার সুযোগ নেই: ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

দেখুন- দিনমজুরের ঘামভেজা ঈদ: দু’বেলা ভাতের লড়াইয়ে ফিকে উৎসব 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন