ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ফাইভ স্টার মুভমেন্টের নেতা জুসেপ্পে কন্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর ইরান হামলাকে “গুরুতর ও বিপজ্জনক” আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল পয়েন্ট:
১. হামলার পরিণতি ভয়াবহ:
বিজ্ঞাপন
- এটি “অগণিত পরিণতি সহ একটি যুদ্ধের দিকে” বিশ্বকে ঠেলে দিতে পারে।
- আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে “শক্তি দিয়ে শান্তি” (নেতানিয়াহুর নীতি) প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা বাড়াবে।
২. কূটনীতির পথ ত্যাগ বিপজ্জনক:
- ট্রাম্প আলোচনার পথ ছেড়ে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ায় অন্যান্য স্বৈরশাসকরাও এখন পরমাণু অস্ত্র মজুদে উৎসাহিত হবে।
- এটি “ইতিহাসের কাঁটাকে পিছনে ঘুরিয়ে” শক্তির আইনে ফিরে যাওয়ার সমতুল্য।
৩. ইতালি সরকারের দ্বিধাবিভক্ত অবস্থান:
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাজানি: “এই হামলার পর উত্তেজনা কমানোর আশা করি।”
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রোসেট্টো: “এটি আরও বড় সংকটের সূচনা।”
- প্রধানমন্ত্রী মেলোনি কেবল “গভীর উদ্বেগ” প্রকাশ করে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
৪. কন্টের সমাধান প্রস্তাব:
- “আরও অস্ত্র ও যুদ্ধ কখনই শান্তির পথ নয়” – ইউক্রেন, আফগানিস্তান, লিবিয়া ও ইরাক এর প্রমাণ।
- বিশ্ব সম্প্রদায়কে “অবিলম্বে থামতে” এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে আসার আহ্বান। জনতার কাছে কন্তের প্রশ্ন – ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর এই হামলা কি আসলেই বিশ্বযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে? নাকি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থামানোর এটাই একমাত্র উপায়?


