২০০০ সালের আগে প্রাণ-প্রকৃতির ভারসাম্য অবস্থান করলেও সেটা এখন হারিয়ে গেছে। এবং সেটি মানুষের কারণেই হারিয়ে গেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্রমাগত জুম চাষ কমে যাচ্ছে। আগে বাজার থেকে এক কেজি বেগুন কিনলে ঘরে নিলে সেটি আধাকেজি হতো; কারণ পোঁকার কারণে নষ্ট হতো। এখন আগের মতো তেমন পোঁকা নেই। জুমচাষসহ কৃষিতে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে পোঁকা কমলেও স্বাস্থ্যে ঝুঁকি বাড়ছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের এনেক্স হলরুমে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রদায়ের সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জীববৈচিত্র্য প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। ‘জীববৈচিত্র্য নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনা সভা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য নাইউ প্রু মারমা (মেরী)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ দেওয়ান। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের ফোকাল পারসন ও জেলা পরিষদের কনসালটেন্ট অরুনেন্দু ত্রিপুরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পটির জেলা কর্মকর্তা কামনাশীষ খীসা।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে রাঙামাটিতে হাতির আক্রমণে হতাহতের খবর পাই। কিন্তু যে এলাকাগুলো থেকে এমন খবর আসে, সেখানে আগে হাতির আবাসস্থল ছিল। কিন্তু মানুষ এখন সেখানে বসতি তৈরি করছে, স্থাপনা গড়ছে। যে কারণে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব বেড়েছে। রাঙামাটি জেলায় দুইটির অধিক মৌজা বন (ভিসিএফ) রয়েছে। কিছু ভিসিএফ এখনো খুবই সমৃদ্ধ। এ প্রকল্পটির অধীনে ৫০টি ভিসিএফে কাজ করা হবে।
পড়ুন- ফতুল্লায় শীর্ষ পরিবহন সন্ত্রাসী হাজী রিপনসহ ৩জন গ্রেপ্তার


