চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পৃথক তিন ঘটনায় দুই শিশুসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার রাত ও রোববার সকালে উপজেলার দাঁতমারা ও হারুয়ালছড়ি এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড খন্দকার পাড়ার নুর নবীর ছেলে নুরুল আফসার (৩৮), একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড মুহাম্মদপুর এলাকার নাছির মিয়ার ছেলে রাশেদুল আনোয়ার (২২)। এছাড়া হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের মেয়ে সাকি আক্তার (৯) এবং জাকির হোসেনের কন্যা সানজিদা আক্তার (১০)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দাঁতমারা এলাকায় নুরুল আফসার ও রাসেলের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশের কথা বলে তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাদের মারধর করা হলে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুল আফসারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাসেল চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে হেয়াকো এলাকায় পল্লী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি কক্ষ ভেতর থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান কর্মচারীরা। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে রাশেদুল আনোয়ারকে (২২) মৃত এবং আরমান নামে একজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে হেয়াকো জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাশেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আরমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এছাড়া, উপজেলার হারুয়ালছড়ি এলাকায় ইটভাটার জন্য মাটি কাটার গর্তের পানিতে ডুবে সাকি আক্তার (১০) ও সানজিদা আক্তার (৯) নামে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, গণপিটুনির ঘটনায় একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। এছাড়াও পানিতে ডুবে দুই শিশুর মরদেহ এবং একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পড়ুন:বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন
দেখুন:কেন পাকিস্তানে গেলেন বিসিবি সভাপতি?
ইমি/


