১৮/০২/২০২৬, ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

তাপস ও শমী কায়সার ৩ দিনের রিমান্ডে

ফ্যাসিস্ট হাসিনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না: শমী কায়সার

ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তরা পূর্ব থানার করা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী শমী কায়সারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এ মামলার রিমান্ড শুনানিতে শমী কায়সার বলেন, ‘আমি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। কোনো ধরনের অর্থ দিইনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা অন্যায়। আমি কখনো কাউকে নিয়ে কটাক্ষ করিনি। ’

এদিন গ্রেপ্তারের পর শমী কায়সারকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিকেল ৩টার পর তাকে আদালতে তোলা হয়।

পরে তার উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। তখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক মৃত্যুঞ্জয় পণ্ডিত মিঠুন তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতের কাছে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন। এ সময় আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত শমী কায়সারের জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে শমী কায়সারকে গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৮ জুলাই ইশতিয়াক মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ীসহ অন্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৪ নং সেক্টরের আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ইশতিয়াকের পেটে গুলি লাগে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় সংগীতভিত্তিক টিভি চ্যানেল গান বাংলার চেয়ারম্যান কৌশিক হোসেন তাপস নয় নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

আরও পড়ুন: অভিনেত্রী শমী কায়সার গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন