বিজ্ঞাপন

ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: ২৪০০ আসনের বিপরীতে আবেদন ৬০ হাজার

দেশের বেকার সমস্যা মোকাবেলায় যুগোপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প। দেশের ৮টি বিভাগের ৪৮টি জেলায় মাত্র ২৪০০ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬০ হাজারেরও বেশি, যা এই প্রকল্পের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।

দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ প্রকল্পটি পরিচালনা করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং বাস্তবায়নে রয়েছে দেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে ২৪০০ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যাদের ৬৩ শতাংশ এরই মধ্যে অনলাইনে আয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি অংশকে দ্রুত আয়ের সাথে যুক্ত করতে মেন্টরিং ক্লাসও চলছে অনলাইনে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে সকল প্রশিক্ষণার্থীকে আয়ের ধারা তৈরি করে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দেশের যুব সমাজের মধ্যে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে।

আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১৭ জুন ২০২৫ তারিখে লিখিত পরীক্ষা এবং ১৯ জুন ২০২৫ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিতদের তালিকা ২৩ জুন ২০২৫ প্রকাশ করা হবে। প্রতিটি আসনের জন্য ২৫ জনের বেশি প্রতিযোগিতা করায় স্পষ্ট যে, দেশের শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা চাকরির পেছনে না ঘুরে প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাধীন পেশায় আগ্রহী হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে শুধু আত্মকর্মসংস্থান নয়, দেশও উপকৃত হবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একটি নতুন দ্বার উন্মোচনের মাধ্যমে।

এ জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়ে প্রযুক্তি ও উন্নয়ন বিশ্লেষকরা বলছেন, `এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রকল্প নয়, বরং একটি সম্ভাবনার দরজা-যেখানে একজন যুবক নিজেকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তুলতে পারে প্রযুক্তির হাত ধরে।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে তরুণ-তরুণীদের ফ্রিল্যান্সিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন