১৫/০১/২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বগুড়ার মমইনে বেড়াতে গিয়ে ১৪ বছরের স্কুলছাত্রী অপহরণ, ১১ দিনেও মেলেনি সন্ধান

বগুড়ার সূত্রাপুর এলাকার ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী গত ১১ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মেয়েটিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করলেও এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি কিশোরীকে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম কবিতা মনি (১৪)। সে বগুড়ার সেন্ট্রাল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং গোহাইল রোড সূত্রাপুর এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার হাকিম কবিরের কন্যা। পরিবার জানায়, কবিতা কিছুটা মানসিকভাবে দুর্বল এবং তার হাতে ১২টি আঙুল রয়েছে, যা থেকে সহজেই তাকে শনাক্ত করা সম্ভব।

গত ১৪ জুলাই বান্ধবীর সঙ্গে শহরের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মম ইন ইকো পার্কে ঘুরতে গেলে কবিতা নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবারের অভিযোগ, কবিতার বান্ধবী ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন যুবক পরিকল্পিতভাবে মেয়েটিকে অপহরণ করেছে। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার হওয়া আসামীরা হলেন, বগুড়া সদর থানাধীন হাজরাদিঘী এলাকার মৃত আনছার রহমানের ছেলে পিয়াস (২৫), হাজরাদিঘী পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী জামালের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২০) একই এলাকার দিলবর হোসেনের ছেলে সরণ হোসেন (২৮) ও বগুড়া সদর থানাধীন ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকার আমিনুল ইসলাম মেয়ে আসমা আক্তার (১৯)।

জানা গেছে, আসামিদের মধ্যে একজন পার্কের নিরাপত্তাকর্মী এবং অন্যজন একটি বেসরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠান TMSS-এর কর্মী।

নিখোঁজ মেয়েটির ভাই কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমরা জানি না, বোনটি বেঁচে আছে কি না। শুধু চাই, ওকে ফিরে পেতে — জীবিত হোক আর মৃত, অন্তত যেন তার কোনো খোঁজ পাই। যে কোনো মূল্যে আমরা ওকে ফেরত চাই।”

বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাশির বলেন, “মামলার পরিপ্রেক্ষিতে চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের রিমান্ড শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এখন পলাতক এক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মেয়েটিকে উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বগুড়ার পলাতক আসামি সাবেক কাউন্সিলর মতিন সরকার গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন