ব্যাটিং ব্যর্থতায় আগের ম্যাচে বড় ব্যবধানে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। এবার স্কোরবোর্ডে ২০৯ রান তুলেও তাদের ভাগ্য বদলায়নি। তাদের লক্ষ্য তাড়ায় ৮ বল এবং ৫ উইকেট হাতে রেখেই জিতেছে পাঞ্জাব কিংস। আইপিএলে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার আসরের প্রথম দুই ম্যাচেই হারের স্বাদ পেল চেন্নাই, সর্বশেষ ২০২২ সালে তারা ওই কীর্তি গড়ে। বিপরীতে পাঞ্জাব দুইশ’র বেশি রানতাড়ায় সফল হওয়ার রেকর্ড অক্ষুণ্ন রেখেছে।
গতকাল (শুক্রবার) এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ব্যাটিংয়ে পাঠান স্বাগতিক চেন্নাইকে। রাজস্থান থেকে ট্রেডিং পদ্ধতিতে হলুদ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর প্রথম ম্যাচে ৬ রানে ফেরেন সঞ্জু স্যামসন। পাঞ্জাবের বিপক্ষে আউট হলেন ৭ রানে। এরপর চেন্নাই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াডকে নিয়ে ৯৬ রানের জুটি গড়েন আয়ুশ মাহাত্রে। অধিকাংশ রানই তুলেছেন ১৮ বছর বয়সী এই ব্যাটার। গায়কোয়াড ২২ বলে ২৮ রান করে আউট হয়ে যান।
৪৩ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৩ রান করেছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মাহাত্রে। তার কিছুক্ষণ বাদে আউট হন কার্তিক শর্মাও। শিভাম দুবের সঙ্গে জুটি বড় করার চেষ্টায় ছিলেন সরফরাজ খান। তবে ১২ বলে ৬ চার ও এক ছক্কায় ৩২ রানে থামে সরফরাজের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দুবে ২৭ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৫ রান করেছেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৯ রান সংগ্রহ করে চেন্নাই। পাঞ্জাবের পক্ষে ২ উইকেট নেন বিজয়কুমার ভিশাক।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ঝোড়ো শুরু পায় পাঞ্জাব। ৪.২ ওভারে ৬১ রান তুলতেই আউট প্রিয়াংশ আর্য। ১১ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় তিনি ৩৯ রান করেন। কিছুটা ধীরগতির ইনিংস খেলেছেন প্রভসিমরান সিং (৩৪ বলে ৪৩)। তবে পাঞ্জাবের সর্বশেষ ম্যাচে জয়ের নায়ক কুপার কনলি ও অধিনায়ক আইয়ার অনায়াসেই দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। কনলি ২২ বলে ৩৬ রানে থামলেও, আইয়ার ২৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রান করেন। শশাঙ্ক সিং (৬ বলে ১৪) বাকি পথ সামলান।
৮ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। আসরে এখন পর্যন্ত খেলা দুই ম্যাচেই জিতেছে প্রীতি জিনতার দল। টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি দুইশ’র বেশি লক্ষ্য তাড়ায় তাদের জয়ের রেকর্ড আগে থেকেই ছিল। এ নিয়ে ৯ ম্যাচে তারা ওই কীর্তি গড়েছে। ৭ ম্যাচে দুইশ’র বেশি লক্ষ্য তাড়ায় জিতেছে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল। বিপরীতে, পাঞ্জাবের বিপক্ষে ৬ বার দুইশ’র বেশি লক্ষ্য দিয়ে পাঁচবারই হেরেছে চেন্নাই। যা নির্দিষ্ট দলের হিসাবে সর্বোচ্চ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুইশ’র বেশি পুঁজি নিয়েও ৪ বার হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে প্রিয়াংশ আর্যের হাতে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও অভিষেক হয়নি এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ দুইবার এই কীর্তি গড়লেন তিনি। আনক্যাপড ক্রিকেটার হিসেবে সমান দু’বার ম্যাচসেরা হয়েছিলেন অভিষেক শর্মাও। মাত্র ১১ বলের ইনিংস খেলেও ম্যাচের নায়ক হলেন প্রিয়াংশ, তার আগে এই কীর্তি আছে কেবল গ্লেন ফিলিপসের (২০২৩ সালে ৭ বলে ২৫ রান)।
পড়ুন:ঢাকায় বাড়ছে গরম, তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৩৬ ডিগ্রি
দেখুন:যুক্তরাষ্ট্রের ফিফথ ফ্লিটে ইরানের হা\ম\লা |
ইমি/


