সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বরগুনার ১৬ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। হযরত কাদেরিয়া চিশতিয়া তরিকা পন্থী ও কাদিয়ানী সম্প্রদায় সৌদির সাথে মিল রেখে প্রতিবছর এ ঈদ-উল-আজহা উদযাপন করে থাকেন। প্রায় ১৫০ বছর ধরে বরগুনার বিভিন্ন গ্রামে এইভাবে ঈদুল আজহা উদযাপন হয়ে আসছে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৬ জুন) সকাল ৮টায় বেতাগী উপজেলার বকুলতলী গ্রামে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইমামতি করেন মাওলানা রুহুল আমিন।
নামাজ শেষে তারা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং মসজিদ প্রাঙ্গণেই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য পশু কোরবানি করেন। এরপর তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান এবং আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে গিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্ীপুরা, খোন্তাকাটা, গ্রেদ ল²ীপুরা, হোসনাবাদ ইউনিয়নের আনার জলিশা, কাজিরাবাদ ইউনিয়নের বকুলতলী গ্রামে চিশতিয়া কাদেরীয়া সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার অনুসারীরা প্রতিবছরই সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগাম ঈদ পালন করে আসছেন।
এছাড়াও ঈদ উদযাপন করছেন, বরগুনা পৌর শহরের আমতলা, সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাজরাভাঙ্গা, কালিরতবক, গৌরীচন্না ইউনিয়নের ধুপতি, গৌরীচন্না, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোজখালী, কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া, আউয়াল নগর, উত্তর তক্তাবুনিয়া পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের সিংড়াবুনিয়া, কাকচিড়া, তালতলী উপজেলার পশ্চিম ঝারাখালী ও করইবারিয়া গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার মানুষ ঈদ উদযাপন করেছে।
এবিষয়ে বেতাগী মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি গোলাম সরোয়ার আহসান বলেন, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে প্রতি বছর আমরা ঈদ-উল ফিতর এবং ঈদ-উল আযহা উদযাপন করে থাকি। তারই ধারাবাকিতায় এবছরও আমরা ঈদ-উল আজহা উদযাপন করছি।
পড়ুন: বরগুনায় ধান ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
দেখুন: বরগুনা ও চুয়াডাঙ্গায় পশুর হাটের খবর
এস


