বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনায় ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ^র নদীতে বিপদ সীমার ৪৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে জোয়ারের পানি। গত ২৪ ঘন্টায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে করে বরগুনা পৌরশহরের নি¤œাঞ্চল ও উপক‚লীয় চরাঞ্চলের বহু নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। নি¤œচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে উচু জোয়ারের চাপে বড়ইতলা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে ডুবে যাওয়ায় ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। দুর্ভোগে পড়ছে নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া মানুষরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও অমাবস্যার কারণে নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বাড়িঘর, দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে পানি ঢুকে পড়েছে। বৃষ্টি ও জোয়ারের এমন প্রভাবে বরগুনাবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, এবং জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ বাড়ছে। পৌর শহরের পানি নিষ্কাশনের পথগুলোর ওপর পর্যাপ্ত নজর না থাকায় জলাবদ্ধতা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে বরগুনার নদ -নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ সেন্টিমিটার এর উপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়াও গত ২৪ ঘন্টায় বরগুনায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ শফিউল আলম বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
পড়ুন: বেতন চাওয়ায় ৪ কর্মচারীকে আটকে রাখলেন বিসিসি প্রশাসক
দেখুন: ৪ বছরের বেতনের সমান বোনাস দেবে যে প্রতিষ্ঠান
ইম/


