বিজ্ঞাপন

বরগুনার তালতলীতে জ্বালানি তৈল সংকটের অবসান, স্বস্তিতে প্রান্তিক কৃষক

বরগুনার তালতলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে চলা জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট অবশেষে কাটতে শুরু করেছে। এতে সেচ মৌসুমে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন হাজারো প্রান্তিক কৃষক।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ জ্বালানি তৈলের তীব্র সংকটের কারণে উপকূলীয় জেলা বরগুনার তালতলী উপজেলায় সেচ পাম্পগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। বিশেষ করে বোরো মৌসুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পানির অভাবে ধানের জমি ফেটে চৌচির হওয়ার উপক্রেম হয়েছিল। তবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত দুদিন ধরে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় পাম্প মালিক ও প্রান্তিক কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে।

কৃষক ফরিদ উদ্দিন, আব্দুস সালাম, আবুল মিয়া বলেন, ‘জ্বালানি তৈলের সংকট থাকায় ঠিকমতো জমিতে সেচ দিতে পারতাম না। কিন্তু এখন তৈল পাওয়ায় সময়মতো সেচ দিতে পারায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফলন পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।’

জ্বালানি তৈল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স পায়রা ট্রেডার্স এর ম্যানেজার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘জ্বালানি তৈলের তীব্র সংকটের মধ্যে ডিপো থেকে প্রতিবার ৫ হাজার লিটার তৈল দেওয়া হতো। কিন্তু ইউএনও মহোদয়ের প্রচেষ্টায় এখন থেকে প্রতিবার ১০ হাজার লিটার তৈল দেওয়া হচ্ছে এবং আরও অতিরিক্ত ৯ হাজার লিটার তৈল সরবারহ করা হচ্ছে। আশা করছি, এখন থেকে চাহিদা অনুযায়ী ভোক্তাদের মাঝে তৈল দেওয়া যাবে।’

তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মোঃ ইলিয়াস বলেন, ‘বোরো মৌসুমে সেচের জন্য কৃষকরা পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় উৎপাদন ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তেলের ব্যবস্থা করায় এখন কৃষকদের বোরো ক্ষেতে সেচ প্রদানে কোন সমস্যা হবেনা।’

তালতলী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রান্তিক কৃষকদের জন্য জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেলের ডিপো কতৃপক্ষের সাথে একাধিকবার কথা বলে চাহিদা অনুযায়ী তৈল সরবারহ করতে সক্ষম হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, সেচ মৌসুমে কৃষকদের যেন এক ফোঁটা তেলের সংকটেও পড়তে না হয়, তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল।

পড়ুন:বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন

দেখুন:কেন পাকিস্তানে গেলেন বিসিবি সভাপতি? 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন