রাঙামাটিতে মাটি পানি বায়ু ও শব্দদূষণ সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বতরোপ করে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের কাঠালতলীস্থ পল্লী-দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের হলরুমে ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন’ উপলক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন- রাঙামাটি ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. পরশ খীসা, সাধারণ সম্পাদক সুপর্ণ দেববর্মণ, পল্লী-দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) রাঙামাটির উপ-পরিচালক আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ইউএনডিপির মাঠ কর্মকর্তা সাকিলা ইসলাম। এসময় রাঙামাটির বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক-প্রতিনিধি, রিসোর্ট-কটেজের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রকৃতিকে ধ্বংস করলে প্রকৃতি আমাদের প্রাকৃতিক উপায়ে ধ্বংস করে। আগের চেয়ে দেশে বজ্রপাত, সূর্যের তাপমাত্রা বেড়েছে। আমরা প্রকৃতির ক্ষতির করায় প্রকৃতিও বিরূপ আচরণ করছে। আমাদের ছয় ঋতুর দেশ বলা হলেও এখন ঋতুচক্রের বৈশিষ্ট্য আগের মতো নেই। আমরা নিজেরাই যদি সচেতন না হই, সেক্ষেত্রে জরিমানা দিয়েও সচেতন করা যাবে না।
ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন, সাজেক পর্যটনকেন্দ্র নিয়ে আমাদের দুঃখ পলিথিন। পর্যটকদের আমরা পলিথিন ব্যবহার নিয়ে সচেতন করলেও একবার বললে শোনেন, পরে আর তা অনুসরণ করেন না।
পড়ুন- জুলাই হত্যা মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড
দেখুন- শেখ হাসিনার রায় নিয়ে আবু সাঈদের পরিবারের প্রত্যাশা |


