বিজ্ঞাপন

বসতঘরের পাশে মাদকের আসর: নেত্রকোনায় ৩ জনের অর্থদণ্ডসহ সাজা

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটককৃতদের প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নারন্দিয়া গ্রামের মো. মঞ্জু আলী ছেলে মো. পলাশ মিয়া (২৬), ইয়ারণ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৪২) ও গোহালাকান্দা গ্রামের মো. শামসুল হকের ছেল মো. সুরুজ মিয়া (৩০)। তারা সকলে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বাসিন্দা।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নারন্দিয়া ইউনিয়নের ইয়ারণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন পূর্বধলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান।

নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি পূর্বধলা থানাধীন ইয়ারণ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার জনৈক এক আসামির বসতঘরের পাশে মাদকের আসর বসিয়ে সেবনরত অবস্থায় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন তারা।

অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এবং তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাশাপাশি অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের আনুষ্ঠানিকতা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বুধবার দুপুরেই নেত্রকোনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি এবং ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কোনো হয়রানি ছাড়াই ডিসিকে সরাসরি সমস্যার কথা জানালেন নেত্রকোনাবাসী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন