তৌহিদুর রহমান,চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এস আলম পরিবহনে অভিযান চালিয়ে দুইটি দেশীয় তৈরি এক নলা বন্দুকসহ মো. জাফর আলম (৫০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার জাফর আলম হাটহাজারী থানাধীন পশ্চিম ধলই এলাকার মৃত আলী হোসেনের পুত্র।
সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ফুটখালী ব্রিজ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,জেলা কার্যালয় (খ সার্কেল), চট্টগ্রামের উপপরিদর্শক এ.কে.এম আজাদ উদ্দিন। অভিযানে তার সঙ্গে ছিলেন এস আই মো. পিয়ার হোসেন,এএসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন,এএসআই মো. জহিরুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা।
সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী বাসযোগে (চট্টমেট্রো-ব-১১-১৪৫৭,এস আলম পরিবহন) কক্সবাজারের বদরখালী এলাকা থেকে এক ব্যক্তি মাদকদ্রব্যসহ চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছেন।এমন সংবাদে তাৎক্ষণিকভাবে পুঁইছড়ি এলাকার প্রধান সড়কের জান্নাত এগ্রো ফার্ম সংলগ্ন পাকা সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাসের সিট নম্বর D4-তে বসা যাত্রী মো. জাফর আলম এর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তার কোলের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে একটি চেক লুঙ্গিতে মোড়ানো অবস্থায় দুইটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত বন্দুকদুটি যথাক্রমে ৩৪ ও ৩৩ ইঞ্চি লম্বা এবং কাঠ ও লোহার সমন্বয়ে তৈরি।জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার জাফর আলম স্বীকার করেন, তিনি অস্ত্র দুটি কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম শহরে বহদ্দারহাট এলাকায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে অস্ত্র জব্দ করে মো. জাফর আলমকে আটক করা হয়।তার বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের আর্মস অ্যাক্ট-এর ১৯(এ) ধারায় বাঁশখালী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
উপপরিদর্শক এ.কে.এম আজাদ উদ্দিন বলেন, ‘মাদক ও অবৈধ অস্ত্রবিরোধী আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পড়ুন: বাঁধার মুখে বিরিয়ানি হাউস উদ্বোধন না করেই ফিরে গেলেন টিকটকার প্রিন্স মামুন
দেখুন: সড়ক ও জনপদের উদ্যোগে বদলে গেলো দাশুরিয়া ট্রাফিক মোড়
ইম/


