১৪/০২/২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
23 C
Dhaka
১৪/০২/২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বাঁশখালী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (বাঁশখালী হাসপাতাল) চিকিৎসায় অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর ও অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা গ্রামের সুফিয়া বড়ি পাড়ার বাসিন্দা জান্নাতুন নাইমা (২১) নামের এক প্রসূতি ২৭ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডেলিভারি জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরিবারের দাবি, রোগীর ব্যথা ও সংকট বাড়লেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ “সব কিছু ঠিক আছে” বলে আশ্বস্ত করে বারবার। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে সন্তান প্রসবের পর দেখা যায় নবজাতক কোনো নড়াচড়া ও কান্না করছেনা। প্রায় ১৫ মিনিট পর খিচুনির মতো অস্বাভাবিক অবস্থা দেখা দিলেও কর্তব্যরত নার্সরা সেটিকে কান্না বলে চালিয়ে দেন। পরে নবজাতকের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীতে প্রেরণ করেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, জন্মের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগে শিশুর মস্তিষ্কের টিস্যু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিশুটি প্রায় ৩০ ঘণ্টা আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মারা যায়।নবজাতকের চাচা সাহাদাত হোসাইন বলেন, “বারবার জিজ্ঞেস করা হলেও নার্সরা বিরক্ত হতো, ঠিকভাবে উত্তর দিত না।তাদের গাফিলতি ও আচরণ দুটোই অমানবিক।রোগীর সঙ্গে থাকা তার মা বেবি আক্তার ও শাশুড়ি তৈয়বা খাতুন নার্সদের খারাপ ব্যবহার ও অসদাচরণের অভিযোগ করেন, বাচ্চার মাথা বের করার সময় বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল, পরে পেট চেপে টেনে বের করা হয়। এরপর বলে শহরে নেন।
ঘটনার বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার বলেন,“ঘটনার বিস্তারিত আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমি এ বিষয়ে খবর নিচ্ছি।তবে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, দায়ী চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক,যাতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণঘাতী অবহেলা আর না ঘটে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: দিনাজপুরে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

দেখুন: ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রুল 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন