১৪/০২/২০২৬, ১৬:২৯ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১৪/০২/২০২৬, ১৬:২৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বাঁশখালীতে স্লুইস গেইট ভেঙ্গে যাওয়ায় লবণাক্ত পানির আক্রমণে কৃষক বিপদে

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের পশ্চিম চাম্বল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমীন চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন জলকদর খালের স্লুইসগেইট দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে জোয়ারের পানির সঙ্গে লবণাক্ত পানি ফসলি জমিতে প্রবেশ করে শত শত একর ধানী জমি নষ্ট হওয়ার পথে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, প্রায় দুই শতাধিক কৃষক এ মৌসুমে প্রায় তিন শতাধিক কানি জমিতে ধান রোপণ করেছেন। কিন্তু স্লুইসগেইটের দরজা উঠা-নামা না করায় পানি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জোয়ারের সময় লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়ে ধানক্ষেত প্লাবিত হয়ে যায়, এতে ধান গাছ ঝলসে গিয়ে কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহল মাছ চাষের সুবিধার্থে স্লুইসগেইট দখল করে রেখেছে। এতে পানির স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অনিয়ম চলছে, যা কৃষকের জীবিকা হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক অভিযোগ, “জোয়ারের লবণাক্ত পানিতে ইতোমধ্যে ধান ক্ষেতের বেশিরভাগ গাছ ঝলসে গেছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, পুরো মৌসুমের ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।”

ভুক্তভোগী কৃষকরা স্লুইসগেইট এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। তারা অবিলম্বে লবণাক্ত পানি প্রবেশ বন্ধ ও নতুন স্লুইসগেইট নির্মাণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী লিটন চৌধুরী জানান, “বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার বাজেট প্রস্তাব করেছিলাম কোন কারণে বরাদ্দ হয়নি তাই স্লুইসগেটটি হয়নি।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামশেদুল আলম জানান,উপজেলার মাসিক মিটিংয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে বিষয়টি শুনেছি,পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

পড়ুন: বিএনপির ১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

দেখুন: যশোরে হরিহর নদ দখল করে চলছে মাছ চাষ, বালু উত্তোলন

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন