বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

দেশের মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অতীতে অতীতকে নিয়ে যেভাবে পড়ে থাকা হয়েছিল, তাতে ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীত ভুলে গেলে দুই চোখ অন্ধ। তাই অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে যেমন হবে না, তেমনি অতীত ভুলে গেলেও চলবে না।

তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে কথা হবে, গবেষণা হবে। এসব চলতে থাকবে কিন্তু ইতিহাস নিয়ে এমন কিছু বলা যাবে না, যাতে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ও ইতিহাসকে খাটো করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে দেখা গেছে, শহীদ রাষ্ট্রপতির ভূমিকাকে খাটো করা হয়েছে। কিন্তু প্রমাণিত তার ভূমিকা ছিল অনিবার্যতা। তার একটি লেখায় ফুটে উঠেছে, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ছিল জিয়াউর রহমানের। দৈনিক বাংলায় ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ক্রোড়পত্রে প্রবন্ধটি লেখা হয় জিয়াউর রহমানের। প্রবন্ধটি প্রকাশের পর কারও কাছে কোনো আপত্তি পাইনি।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত হয় জিয়াউর রহমানের একটি প্রবন্ধ ‘একটি জাতির জন্ম’, যে লেখা নিয়ে তৎকালীন সরকার বা কারও কাছ থেকে কোনো আপত্তি আসেনি, কেউ তা নিয়ে বিরোধিতা করেননি।

‘যদিও শহীদ জিয়াউর রহমানকে খাটো করার অপচেষ্টা হয়েছে। তবে যা সত্য, তা সত্যই। অনবদ্য চরিত্র লুকানোর কোনো অবকাশ নেই’, যোগ করেন তারেক রহমান।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। তবে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই কাজ করতে পারলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

‘এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার। সবাই ভালো থাকবো, একটি অংশ নয়, সমাজের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই– এটাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার’, যোগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে : মির্জ ফখরুল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন