কলম্বোতে প্রথম দিনেই ব্যাটিং বিপর্যয় দিয়ে সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৮ উইকেটে ২২০ রান তুলে তারা দিন শেষ করে। ফলে প্রথম ইনিংসে সফরকারীদের স্কোরটা যে খুব বড় অবস্থানে পৌঁছাবে না তা অনুমেয়ই ছিল। আজ দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ খেলল মোটে সাড়ে ৮ ওভার। আর দলীয় পুঁজিতে যোগ হলো ২৭ রান। যার বড় কৃতিত্ব তাইজুল ইসলামের। তার ত্রিশ পেরোনো ইনিংসে ভর করে ২৪৭ রানে থেমেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ২৪৭ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেয়েছে লঙ্কানরা। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে তাদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৮৩ রান।
কলম্বোতে প্রথম দিনেই ৮ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনে বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি তারা। ২৪৭ রানে অল আউট হয়েছে সফরকারীরা। জবাব দিতে নেমে নিসাঙ্কা ও উদারা শ্রীলঙ্কাকে ভালো শুরু এনে দিয়েছেন। দুইজন মিলে ৮৩ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যেখানে উদারা ৪০ এবং নিসাঙ্কা ৪২ রানে অপরাজিত আছেন।
শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটি ভাঙার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউর আবেদন করেছিলো টাইগাররা। তার জন্য রিভিউও নিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত। তবে আউট করতে পারেনি ওপেনার উদারাকে।
১৯৭ রানে ৭ উইকেট হারানো বাংলাদেশের টেল-এন্ডার ব্যাটিংয়ে ৫০ রান পেয়েছে। সিংহলিজ স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনে তারা ব্যাট করেছে পৌনে এক ঘণ্টা। এই সময়ে ৩ রান বাদে বাকিটা এসেছে তাইজুলের ব্যাটে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান ইসলাম। এ ছাড়া মুশফিকুর রহিম ৩৫, লিটন দাস ৩৪, তাইজুল ৩৩ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৩১ রান করেন।
আগেরদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এনামুল হক বিজয়ের উইকেট দিয়েই ব্যাটিং ধসের শুরুটা হয় টাইগারদের। ১০ বল খেলেও তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি। গল টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪ রান করলেও তাকে সুযোগ দিয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। যার প্রতিদান দিতে পারলেন না। এরপর বাংলাদেশ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৭৬ রানের মাথায় চারজনকে হারিয়ে বসে। সফরকারীরা কেবল পঞ্চাশোর্ধ রানের (৬৭) একটি জুটি পায় মুশফিক-লিটনের ব্যাটে। এ ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে থিতু হয়েও বড় জুটি গড়তে পারেননি আর কেউই।
আজ দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ ওভারেই এবাদত হোসেনকে হারায় বাংলাদেশ। তাকে এলবিডব্লু করেছেন লঙ্কান পেসার আসিথা ফার্নান্দো। আর অভিষিক্ত সোনাল দিনুশা তাইজুলকে ফেরান দিনেশ চান্দিমালের ক্যাচ বানিয়ে। তিনি ম্যাচে বাংলাদেশের পঞ্চম ত্রিশ পেরোনো ইনিংসটি খেললেন। লঙ্কানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট শিকার করেন আসিথা ও দিনুশা। এ ছাড়া বিশ্ব ফার্নান্দো নেন ২ উইকেট।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

