19 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৭:১১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৩৬ দিনের পর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ক্লাস পরীক্ষা শুরু

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দীর্ঘ ৩৬ দিনের পর আজ ক্লাস পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এর আগে গত ৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল খুলে দেয়া হয়েছে। সে দিন থেকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ আবাসিক হলে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

পশু পালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা কম্বাইন্ড একক ডিগ্রির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতরা গত ৩১ আগস্ট হামলার ঘটনায় শিক্ষার্থী-সাংবাদিকসহ ১৫ আহত হন। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেদিন রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়র আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েল পশু পালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীদের দুই অনুষদের একত্রে কম্বাইন্ড ডিগ্রির প্রদানের আন্দোলন চলে আসছিল। ৩১ আগস্ট এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমি কাউন্সিলে এক বৈঠকে কম্বাই ডিগ্রি প্রদানসহ আলাদা আলাদাভাবে এই দুই অনুষদেরও পৃথক ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্ত আন্দোলনকারীরা না মেনে এককভাবে কম্বাইন্ড একটি ডিগ্রি প্রদানের দাবিতে ক্যাম্পাসের জয়নাল আবেদিন মিলনায়তনে ভিসিসহ দুই শতাধিক শিক্ষকে প্রায় ৭ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। পরে রাত আটটার দিকে কতিপয় বহিরাগতরা এসে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদে মারধোড় করে শিক্ষকদের মুক্ত করে নেয়। তারপর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং হল বন্ধের নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলে হয়েছে, ‘বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছে। তাই আজ ৫ অক্টোবর থেকে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসসমূহ শুরু হয়েছে।

পড়ুন: দায়িত্ব অনেক ‘সম্মান কম’, বেতন নিয়ে শিক্ষকদের ক্ষোভ

দেখুন: জাতিসংঘের অধিবেশনে আলোচনার কেন্দ্রে গাজায় আগ্রাসন | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন