ঈদ ঘিরে বাজারে বেড়েছে সেমাই-কিসমিস, পোলাওর চালসহ বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা। ক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক বছরের চেয়ে দাম কম। তাই কিছুটা স্বস্তি তাদের মাঝে। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে নেই কৃত্রিম সংকট। তবে গেলো সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে সব ধরনের মুরগির। বেড়েছে গরুর মাংসের দাম ও।

ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে বেশিরভাগের আগ্রহের কেন্দ্রে পোলাওর চাল, বাহারি পদের সেমাই, কিসমিস বাদামসহ বিভিন্ন মসলা সামগ্রী। থরে থরে সাজিয়ে বিক্রেতারা ও হাক ডাক দিচ্ছেন শেষ সময়ে ক্রেতা আকর্ষণে।
ক্রেতারা বলছেন, বিগত কয়েক বছরের চেয়ে এবার অনেকটাই স্থিতিশীল ঈদকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পণ্যের দর। বাজারে নেই কৃত্রিম সংকট, রয়েছে পর্যাপ্ত মজুত।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা পোলাও চাল কেজি প্রতি মিলছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। আর প্যাকেটজাত পোলাও চালের কেজি ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকায়।
বিগত বছরের তুলনায় এই বছর ঈদের প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম খানিকটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। নেই কোনো কৃত্রিম সংকট।
তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ব্রয়লারসহ সব ধরণের মুরগির দর। আর গরুর মাংসে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি প্রতি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেড়েছে মুরগীর চাহিদা তাই খানিকটা বেশি দাম। ঈদ শেষে দাম কমবে বললেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
পড়ুন: ঈদ ভারত আউট, দেশি-পাকিস্তানি পণ্যের দাপট
দেখুন: ঈদরাপত্তা ঝুঁকি, শঙ্কায় ক্রেতারা
ইম/


