দেশে রাজস্ব ঘাটতি কমাতে প্রয়োজন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এছাড়া রাজস্ব আহরণে করা হচ্ছে নানা ঝামেলা আর হয়রানি। বর্তমান সরকারের অধীনে ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রোববার সিপিডি আয়োজিত বাজেট সংলাপে এসব কথা বলেন বক্তারা।
দিন যত যাচ্ছে ততই সরকারের বিপক্ষে আগ্রাসী হয়ে উঠছে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নানামহল। তারওপর সামনে রয়েছে এলডিসি উত্তোরণের বাড়তি চাপ।
লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংক খালি করে ভঙ্গুর করা হয়েছে অর্থনীতি। এখন পর্যন্ত কোন ব্যাংকার বা গ্রাহকদের শাস্তি দেয়া হয়নি। উল্টো লুটের টাকা নেয়া হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে, সুদ হার বাড়িয়ে।
দেশে রাজস্ব আহরণ কম। নানা ঝামেলা আর হয়রানির কারণে অনেকে কর দিতে উৎসাহিত হয় না। রাজস্ব সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন হলেও করা হয়েছে উল্টো।
দেশে রাজস্ব বাজেটে উদ্দেশ্য হচ্ছে পুন:বন্টন। যাদের আয় বেশি তারা করও দিবেন বেশি। কিন্তু তৃণমূলে যারা বসবাস করেন করের বোঝায় পিষ্ট হন তারাই।
দেশে বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে। সংস্কারের সরকার দীর্ঘ সময় পেলেও করতে পারেনি সংস্কার। এ নিয়ে বিভিন্নমহলে বাড়ছে ক্ষোভ।
এনএ/


