দেশের ৫৪তম ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপন হয়েছে করেছেন অর্থ উপদেষ্টা। আকারে কিছুটা ছোট হলেও এতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও হতাশা—দুই-ই ধরা দিয়েছে। বিশেষ করে ইন্টারনেটের দাম কমায় তরুণ সমাজে দেখা গেছে বাড়তি উৎসাহ। যদিও কিছু পণ্যের দাম বাড়ায় শঙ্কাও রয়েছে।
জাতীয় বাজেট মানেই যেন রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের চাহিদা আর প্রত্যাশার হিসেব-নিকেশ। অর্থনীতির জটিল হিসাব-নিকাশ বোঝেন না সাধারণ মানুষ। তাঁরা বোঝেন প্রতি বছর বাজেট মানেই ব্যয়ের নতুন নতুন খাত তৈরি হওয়া। তাই বাজেট নিয়ে তাদের উৎসাহ কম, বরং আতঙ্কটাই বেশি।
তরুণ প্রজন্মের জন্য বাজেটের ইতিবাচক বার্তা—ইন্টারনেট সেবায় ভ্যাট হ্রাস। অনেকেই মনে করছেন এতে করে ডিজিটাল পেশাজীবীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
অন্যদিকে, বাজেটের আকার ছোট হওয়ায় কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন কঠিন হতে পারে। তবে অনেকেই বিশ্বাস করেন—সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।
জনগণের প্রত্যাশা, বাজেট বাস্তবায়নে যেন সরকার রাজস্ব আয়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাহলেই সম্ভব হবে আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য এবং উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো।
এনএ/


