দূষণের কারনে সারা দেশে প্রতিবছর একজন মানুষ অসুস্থ থাকে ১২ থেকে ১৫ দিন। আর এর অর্থনৈতিক ক্ষতি বছরে প্রায় ১৫০০ বিলিয়ন টাকা। এই বায়ুদূষণ রোধ করা গেলে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হতো।
ধুলোয় ঢাকা শহরে প্রতি মুহুর্তে উড়ছে অসংখ্য ধুলিকনা। খালি চোখে যতটুকু না দেখা যায় ক্যামেরার চোখে স্পষ্ট হয় আরও বহুগুন।
মাটি ও রাস্তা থেকে সৃষ্ট ধুলোয় রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, টাইটেনিয়, পটাসিয়াম ও ব্ল্যাক কার্বন। দূষণের কারনে অসুস্থ হচ্ছে অনেক মানুষ।
বায়ু দূষণ নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যায়ন কেন্দ্র বলছে, দেশে বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর আর্থিক ক্ষতি হয় ১ হাজার ৫০০ বিলিয়ন টাকা।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বলছে, প্রতিবছর শীতকালে দূষণের পরিমাণ বেড়ে প্রায়ই ঢাকার নাম শীর্ষে উঠে আসে। এবারের শীতেও তার ব্যাতিক্রম নয়, উল্টো ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দূষণ বেড়েছে ৮ গুন।
আর চিকিৎসকরা বলছেন, বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর হলেও শিশু, অসুস্থ, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য অনেকটায় প্রাণঘাতি। এই দূষণ শুধু মানুষের শরীরেই প্রভাব ফেলছে না,বরং বিপর্যস্ত করে তুলছে মানসিক স্বাস্থ্যকেও।
এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্স তথ্য বলছে,বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশগুলোর মানুষের গড় আয়ু ২ দশমিক ৭ বছর হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশে নাগরিকদের গড় আয়ু হ্রাস পেয়েছে ৪ দশমিক ৮ বছর।
এনএ/


