19 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরতে পারেন খালেদা জিয়া

দ্যা লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসারত বেগম খালেদা জিয়া আজ রাতে হাসপাতাল থেকে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের সাথে বাসায় ফিরতে পারেন। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা এ সব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আগের থেকে অনেক সেুস্থ আছেন। তবে তার লিভার প্রতিস্থাপনের কোন সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলেও জানান চিকিৎসকরা।

বিজ্ঞাপন

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আগের তুলনায় অনেক সুস্থ আছেন। তবে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত দেননি চিকিৎসকরা।

লন্ডনে খালেদা জিয়া সফর সঙ্গি ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন  যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময়  রাত সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টা) দ্য ক্লিনিকের সামনে সংবাদকর্মীদের কাছে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে এমন কথা বলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তাঁর বয়স ও স্বাস্থ্যের ওপর বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার নতুন করে আরো দুটি পরীক্ষা দিয়েছেন  আজ রিপোর্ট এলে তিনি হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে  সন্ধায় বাসায় ফিরতে পারেন।

বর্তমানে ওষুধের মাধ্যমে যে চিকিৎসাপদ্ধতি চলছে, তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলেন সে ব্যাপারে লন্ডনের দ্য ক্লিনিক ও যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরাও একমত হয়েছেন। বাসায় ফিরলে তিনি প্রফেসর প্যাট্রিক কেনেডি ও জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে বলেও জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। এদিকে খালেদা জিয়াকে নেবার প্রস্তুতি হিসেবে গতকাল রাতে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্য ক্লিনিক থেকে কয়েকটি মালপত্র ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র গাড়িতে ওঠাতে দেখছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে আসেন। সেখান থেকে সরাসরি তাকে দ্যা লন্ডন ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানেই তিনি অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডির অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এনএ/

দেখুন: বাসা থেকে দুটি মোবাইল ফোন চুরি, মাইক ভাড়া করে চোরকে গা*লিগা*লাজ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন