কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষ ১২ জন এবং হবিগঞ্জের মাধবপুরে দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে ৪ জন নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর পাঠানো বিবৃতিতে এ শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদ উদ্যাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। আমি মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সেইসঙ্গে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
তারেক রহমান আরও বলেন, জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।
তিনি বলেন, রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বগুড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পর শনিবার দিবাগত রাতে কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সঙ্গে নোয়াখালীগামী মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটির ১২ যাত্রী নিহত হন।
এছাড়া রোববার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে ৪ জন নিহত হন। নিহতরা হলেন: পিকআপ চালক সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ইব্রাহীম (৩৫), কিশোরগঞ্জের আছমা (৪০) ও শিশু সজিব (১২)। নিহত অপর এক পুরুষের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এ সব দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
পড়ুন : স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী


