১১/০২/২০২৬, ২২:৫৯ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ২২:৫৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিএনপির প্রার্থী এ্যানি চৌধুরীর নির্বাচনি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় আটক দুইজনকে ছেড়ে দেয়েছে যৌথবাহিনী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচনী অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটির সদস্য তাহমিনা আক্তার নওরিন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা সদরের ঝুমুর গোল চত্বর এলাকায় নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রমের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে একটি গাড়ি থামানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। গাড়িটি বিএনপির প্রার্থী এ্যানি চৌধুরীর নির্বাচনী গাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আটক বদরুল আলম শ্যামল প্রার্থী এ্যানি চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী এবং খালাত ভাই। উদ্ধার হওয়া অর্থের বৈধতা ও উৎস সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার নওরিন জানান, ঘটনাটির পরপরই সহকারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং আধা ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো অনিয়মের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে বিএনপির প্রার্থী এ্যানি চৌধুরীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় নগদ অর্থ বহন, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গণনা শেষে জেলা জামায়াতের আমিরের কাছে মিলল ৭৪ লাখ টাকা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন