২৭/০২/২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
25.1 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা করায় স্বাস্থ্য বিভাগের ৬ জনকে শোকজ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় জেলার কসবায় স্বাস্থ্য বিভাগে ৬ জনের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের কাছে এই কৈফিয়ত চাওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্তরা হলেন, কসবার স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জুবায়ের মাহমুদ, ফরিদ আহম্মদ, নেপাল চন্দ্র দাস ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন।

কৈফিয়তের চিঠিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা সরকারি চাকুরী করে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনী কাজে অংশ গ্রহণ করছেন বলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মাওলানা শিবলী নোমানী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জনকে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
যেহেতু ইতোমধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের ২০ (খ) ধারা মোতাবেক সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী কোন রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ ও প্রচার/প্রচারণায় অংশ গ্রহণ নিষেধ করা হয়েছে। যেহেতু আপনাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচার প্রচারণার অভিযোগ করা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে আপনারা সরকারি নির্দেশ অমান্য করেছেন। এমতাবস্থায় আপনাদের এহেন কর্মকান্ডের জন্য কেন আপনাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে না তাহার সন্তোষ জনক জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি তা আমার বরাবর পাঠিয়েছেন। আমি তাদের শোকজ করেছি।

পড়ুন- যশোরের বসুন্দিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা আটক

দেখুন- নির্বাচনী হালচাল: ভোলা- ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে একদিন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন