গাইবান্ধার পলাশবাড়ী কিশোরগাড়িতে বিক্রি করা জমি নিজের দাবি করে দখল করা চেষ্টার অভিযোগ উঠছেন ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে মতিয়ার রহমান নামে একটি ব্যক্তি সাড়ে সাত শতক জমি ক্রয় করেন। সেই সময় ইব্রাহিম নাবক ছিলেন। তার পক্ষে ইব্রাহিমের দাদি ছাফাতন নেছা বেওয়া জমি দলিল করে দেন। মতিয়ার রহমান তার ক্রয় করা জমিতে বসতবাড়ি ও দোকানপাট নির্মান করে। দীর্ঘ ৩০ বছর পর ইব্রাহিম সেই জমিকে নিজের জমি দাবি করে স্থানীয় গুন্ডাপান্ডা দিয়ে দখল করার চেষ্টা করছেন। মতিয়ার রহমান ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট আদালতে ২০২২ সালে একটি মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে জমির নিষ্পত্তি জারি করেন। তখন সুকৌশলে স্থানীয় ভুমি দস্যুদের পরামর্শে ইব্রাহিম কিশোরগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নামে বিক্রি করা জমি থেকে দুই শতক জমি দান দলিল করে দেন। মতিয়ার রহমান উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের নামনীয় জোগসাজশ দলিলের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী সহকারী জর্জ আদালতে দলিল রদের মামলা দায়ের করিয়াছেন। যাহা আদালতে চলমান।
জমির ক্রয়কারী মালিক মতিয়ার রহমান বলেন, ইব্রাহিমরা যখন না খেয়ে ছিলেন। তখন তার দাদি আমার কাছে জমি বিক্রি করে তাকে লালন পালন করছেন। ইব্রাহিম মানুষের প্ররোলোচনায় পড়ে ৩০ বছর পর আমার ক্রয়কৃত জমি দখলের জন্য পায়তারা করছেন। স্থানীয় গুন্ডপান্ডা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এ বিষয়ে ইব্রাহিমের সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পড়ুন: তারেক রহমানের উপহার পেলেন নেত্রকোনার শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু রিফাত
দেখুন: বিজিবিএ নির্বাচন: প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে ‘মেম্বারস মিট আপ’ |
ইম/


