পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেছেন, একজন বিচারক এজলাসে বসে কখনও ন্যায় বিচার করতে পারেনা, কারন তিনি বাস্তবতার নিরিখে বিচার করেননা। তিনি বিচার করেন, তার সামনে যে নথিপত্র উপস্থাপন করা হয় এবং সাক্ষীর জবানবন্দি বিচার বিশ্লেষন করে তিনি রায় দেন। অথচ ঘটনা সত্য সাক্ষী প্রমানের অভাবে বাদী ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।
গতকাল বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রাম আদালত আইনে অনেকগুলো বিষয় আছে।এ আইনের মুল উদ্দেশ্য হল, কম সময়ে বিনা খরচে যেন বিচার পেয়ে যায়।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সীমা শারমিন,সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লা হিল জামান প্রমূখ।
বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় ৭২ জন ইউপি সদস্য প্রশিক্ষনে অংশ নেয়।
পড়ুন: পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের পুশইন করা ২১ নারী-পুরুষ আটক
দেখুন: পঞ্চগড়ে বিশেষ শিশুর জন্ম, চলছে পর্যবেক্ষণ
এস


